মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জে নির্বিচারে চলছে অতিথি পাখি নিধন

Muktijoddhar Kantho ১৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

 ইমরান হোসেন আপন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

চারদিকে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। এক দল উড়ে যাচ্ছে নীল দিগন্তে,আরেক দল ডানা ঝাঁপটাচ্ছে যমুনার বুক চিড়ে জেগে উঠা চরে।চোখ ধাঁধানো মনোমুগ্ধকর এ দৃশ্য দেখতে এখানে আসছেন অনেক পর্যটক।সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান দেশ থেকে আশা লাখ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির জন্য এখানে দুঃসংবাদও রয়েছে।

পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল চরাঞ্চলে প্রতিদিন বিষটোপ ও জাল দিয়ে শত শত অতিথি পাখি শিকার করছে শিকারিরা।নির্বিচারে পাখি শিকারের কারণে পাখিদের আগমনও কমে যাচ্ছে।এতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসম্য এবং সৌন্দর্য হারাচ্ছে মনোমুগ্ধকর চরগুলো।অতিথি পাখি শিকারিদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিকারিরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে শীতপ্রধান দেশ থেকে আসা লাখ লাখ অতিথি পাখি সিরাজগঞ্জ জেলার মাঝের চরে, ঘুশুরিয়া হিজুলিয়া পয়লা শোলজানা ঘুড়জান অন্তত ২০/২৫টি চরে এসছে সাময়িক একটু উষ্ণতা ও নিরাপদ আবাসের জন্য। বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের কলকাতনে মুখর হয়ে উঠেছে চরাগুলো।অতিথি পাখিগুলো এতো দূর থেকে এসে উষ্ণতা পেলেও পায়নি নিরাপদ আবাসস্থল।শিকারিদের কারণে তাদের নিরাপত্তা নেই।

খাদ্যের সন্ধানে রংবেরংয়ের পাখা মেলে এসব পাখি উড়তে গিয়েই মারা পড়ছে শিকারিদের হাতে।ধানের সঙ্গে বিষাক্ত রাসয়নিক দ্রব্য বিষটোপ ও জাল ফেলে নির্বিচারে চলছে পাখি শিকার।চর ঘুশুরিয়া চরের বাসিন্দারা জানান,এক শ্রেণির লোক চরে ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে বিকালে চরে ফেলে রাখে।সকালে অতিথি পাখি এসে তা খায়।কিছু পাখি মারা যায় আর কিছু অসুস্থ হয়ে পড়ে।তখন শিকারিরা এসে জবাই করে বাজারের ব্যাগে করে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করে।এসব পাখি প্রতিটি ৫’শ থেকে ৬’শ টাকা দরে বিক্রি হয়।

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২৮-ডিসেম্বর-২০১৬ইং/নোমান