মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

গুলি ছুড়ে উল্লাস আ.লীগ নেতার!

BenjaminBlumenth ৫৯ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

 মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,

বড় ভাইয়ের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে আনন্দ–উল্লাস করেছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র ও ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম ছানা। গত মঙ্গলবার রাতে তাঁর গুলি ছোড়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরাসরি প্রচার করা হয়। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাত ৮টা ২৬ মিনিটে পৌরসভার মেয়র শামীমুল ইসলামের বড় ভাইয়ের ছেলে সাদমান আল সাকিব তাঁর ফেসবুক আইডিতে গুলি ছোড়ার দৃশ্য সরাসরি দেখান। ফেসবুকে আপলোড হওয়া পৃথক দুটি ভিডিওতে দেখা যায়, মেয়র শামীমুল শটগান উঁচু করে গুলি ছুড়ছেন। এ সময় তাঁকে ঘিরে কয়েকজন ছবি তোলেন ও ভিডিও করেন। গুলি ছোড়ার পর তরুণেরা উল্লাস করেন। এ ছাড়া দুজন তরুণকেও শটগান ও পিস্তল হাতে দেখা যায়।

ফেসবুকে ওই ভিডিওর নিচে কয়েকজন মন্তব্য করেন। আল আমিন নামের একজন মন্তব্যে লেখেন, ‘এটা কোন আইনের মধ্যে পড়ে।’ জবাবে সাদমান আল সাকিব লেখেন, ‘এখানে আমরাই আইন।’

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা ও মেয়র শামীমুল ইসলাম  বলেন, ‘অনুষ্ঠানে সবাই আনন্দ–উল্লাস করছিল। তখন থানার ওসি সাহেব ছিলেন, ইউএনও ছিলেন। আমি তো গুলি ছুড়িনি। শুধু অস্ত্র উঁচু করে দেখিয়েছি…আত্মীয়স্বজনের অনুরোধে।’ অপ্রয়োজনে খোলা জায়গায় অস্ত্র প্রদর্শন করা আইনসংগত কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তো বাইরে কোথাও না, আমার বাড়ির প্রাচীরের ভেতরে। তা ছাড়া এটা লাইসেন্স করা অস্ত্র। আমি দু-দুবারের মেয়র, আবার আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি। আমি কি বেআইনি কিছু করতে পারি?’

তবে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শান্তি মণি চাকমা ওই অনুষ্ঠানস্থলে ছিলেন না বলে জানিয়েছেন। ইউএনও বলেন, ‘আমি সেখানে ছিলাম না। তাঁর বৈধ অস্ত্র আছে। গুলি চালাতে পারেন, তবে কেন গুলি ছুড়েছেন তা তিনিই বলতে পারবেন। তাঁকেই জিজ্ঞাসা করেন। যদি অকারণে গুলি চালিয়ে থাকেন, সে জন্য তিনি লায়াবল (দায়ী) হবেন।’

এ বিষয়ে জানতে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর হোসেন খন্দকারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৩ -০১-২০১৭ইং / মো: হাছিব