মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

গাবতলীতে ওসি’র আত্মহত্যা ঘটনায় ২য় স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে ১ম স্ত্রীর মামলা দায়ের

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৬ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

আল আমিন মন্ডল, (বগুড়া জেলা প্রতিনিধি),

বগুড়ার গাবতলী মডেল থানা ওসি আ.ন.ম.আব্দুল্লাহ আল হাসান আত্মহত্যা ঘটনায় ওসি’র ২য় স্ত্রী রুমানা আক্তার মিতু (২৮) কে প্রধান অভিযুক্ত করে ১ম স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এদিকে মরহুমের লাশ গতবৃহস্পতিবার নাটোর জেলা বড়াই উপজেলা গড়মাটি উত্তরপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ীতে দাফন সম্পন্ন করা হয়। এরপর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত মিতু কে আটক করে পাবনা থেকে বগুড়া নিয়ে আসা হয়েছে বলে পুলিশ জানান।
মামলাসূত্র জানায়, ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান পাবনা থানায় চাকুরী করা অবস্থায় উপজেলার সালঘড়িয়া গ্রামের মোকছেদ আলীর কন্যা প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননী রুমানা আক্তার মিতুকে ৭থেকে ৮মাস পূর্বে বিয়ে করে। সম্পর্কের অবনতি হলে চলতি বছরের ১৭ই জানুয়ারী উভয়পক্ষের সম্মতিতে পাবনা নারী কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে নোটারী পাবলিক কে এভিডেভিট মাধ্যমে ২০লাখ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট বাড়ী দিয়ে ছাড়াছাড়ি হয়। এরপরও রুমানা আক্তার মিতু ক্ষোভের বশীভুত হয়ে ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসানকে মোবাইল ফোনে গালিগালাজ ও বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১মার্চে রুমানা আক্তার মিতু গাবতলী মডেল থানায় এসে নিজেকে ২য় স্ত্রী দাবী করে ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসানের মান সম্মান ক্ষুন্ন করে। অবশেষে গত ২৯শে মার্চ সকাল ১০টায় ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান কোয়ার্টারে সেলিং ফ্যানের সঙ্গে রশিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনা রাঁতে ওসি’র ১ম স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে তালাকপ্রাপ্ত ২য় স্ত্রী মিতুকে প্রধান অভিযুক্ত করে গাবতলী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলানং ৩২। এদিকে পুলিশ অভিযুক্ত মিতুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাবনা থেকে বগুড়ায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানায়। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মোঃ নুরুজ্জামান মামলা দায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/৩১-০৩-২০১৭ইং/ অর্থ