মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

রাজশাহীতে ব্যবসায়ী নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

Muktijoddhar Kantho ৭১ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

পাপন সরকার শুভ্র, রাজশাহী প্রতিনিধি :

রাজশাহীতে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নগরের সাহেববাজারে সড়ক অবরোধ করেন। রোববার বিকেলে এক ঘণ্টা পরে পুলিশের আশ্বাসে ব্যবসায়ীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু দোকানপাট খোলেননি। গ্রেপ্তারকৃতরে নাম অশোক কুমার সাহা। তিনি রাজশাহী মহানগর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। অশোক কুমার সাহার সাহেববাজার কাপড় পট্টির ভেতরে নিজের ছয়তলা বাড়ির নিচে ‘এএন ক্লোথ স্টোর’ নামে তার একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

অশোক কুমারের ছেলের অর্প জানান, তারা এই বাসার চতুর্থতলায় থাকেন। বেলা পৌনে তিনটার দিকে পুলিশ পরিচয়ে বাসা থেকে তার বাবাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর শুনে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা তার বাবার খোঁজ করার জন্য থানায় গিয়ে পাননি। পরে সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম খন্দকার বিকেল পাঁচটার সময় রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে গিয়ে তার বাবাকে পান।

অর্প জানান, তার বাবাকে পুলিশ সেখানে অনেক নাজেহাল করেছে। তিনি দাবি করেন তার বাবার নামে কোনো মামলা নেই। প্রথমে বোয়ালিয়া থানার পুলিশ তার বাবাকে আটকের কথাই অস্বীকার করেছে। এখন বলছেন, আদালত থেকে জামিন নিতে হবে বলে জানান
তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজশাহী নগরের সাহেববাজার কাপড়পট্টির ব্যবসায়ীরা সব দোকান বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আসেন। তারা রাস্তার গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে নগরের আলুপট্টি এলাকা থেকে রাজশাহী কলেজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় পুলিশ তাদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহারের চেষ্টা করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে পুলিশ বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন। এ আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীরা সড়ক ছেড়ে দেন। কিন্তু আটক নেতাকে না ছাড়া পর্যন্ত তারা দোকানপাট না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বস্ত্র ব্যবসায়ী হাবিব বলেন, তাদের নেতাকে না ছেড়ে দেওয়া পর্যন্ত তারা দোকানপাট খুলবেন না। রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের
সহকারী কমিশনার আল আমিন বলেন, অশোক কুমার সাহার নামে গত কয়েকদিন আগে একটি মামলা হয়েছে। এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় তার নামে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় অশোক কুমার এজাহারনামীয় আসামি। তাকে মূলত বোয়ালিয়া থানার পুলিশ আটক করেছে।

তবে তাকে বোয়ালিয়া থানায় না নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/৬-এপ্রিল-২০১৭ইং/নোমান