ঈশ্বরগঞ্জে ৩ সন্তানের জননীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার
আজিজুল হাই সোহাগ, ঈশ্বরগঞ্জ( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পিতার অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২৭/০৪/১৭) সন্ধায় উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটে গ্রামে স্বামীর বাড়ী থেকে ৩ সন্তানের জননী হালিমা খাতুন (৩০) এর গলা কাটা উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ। অভিযুক্ত স্বামী আব্দুল্লাহ্ পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে কোন এক সময় স্বামী আব্দুল্লাহ্ হালিমা খাতুনের গলায় ধারালো ব্লেড দিয়ে পুছ দেয় এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে বৃহস্পতিবার সকালে ময়মনসিংহের ক্লিনিকে ভর্তি করে। হালিমার বাড়ীতে অসুস্থতার কথা জানলে পরিবারের লোকজন তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। বিকালে হালিমার মৃত্যুর খবর পিতা ছফির উদ্দীনকে জানালে তিনি স্বামী আব্দুল্লাহ(৪০) কে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দাখিল করেন।
রাজীবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের আব্দুল্লার সাথে ১০ বছর আগে মগটুলা ইউনিয়নের করমা গ্রামের ছফির উদ্দীনের মেয়ে হালিমা খাতুনে বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে।বিয়ের পর থেকেই আব্দুল্লাহ যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিল। নির্যাতন সইতে না পারে হলিমা সপ্তাহখানিক পূর্বে বাবার বাড়ী চলে যায়। গত ২৩ এপ্রিল আব্দুল্লার পরিবারের লোকজন আর নির্যাতন করা হবে না প্রতিশ্রুতি দিয়ে হালিমাকে স্বামীর বাড়ী নিয়ে আসে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম খান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২৭-এপ্রিল-২০১৭ইং/নোমান