মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

এক অসাধারণ প্রতিভার নাম মাস্টার আলতাফ হোসেন হাওলাদার বিএসসি

Muktijoddhar Kantho ৬৪ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

 

শাহাদাত হোসাইন সাদিক, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা :

লক্ষ্মীপুর জেলায় রায়পুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাস্টার আলতাফ হোসেন হাওলাদারবি.এস.সি এক অসাধারণ প্রতিভা ও জন ননন্দিত নেতা। তাঁর নিজ প্রতিভা এবং জনপ্রিয়তার কারণে ২০১১ সালের অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোটে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব মিঞা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক। আলতাফ হোসেন হাওলাদার নওয়াব মিয়ার ঔরষে জন্ম নেয়া তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট তিনি। ১৯৭৬ সালে রায়পুরে উত্তর চর আবাবিল রচিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ঢাকাস্থ ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচ.এস.সি এবং তিতুমীর কলেজ থেকে বি.এস.সি পাশ করেন। পরে তিনি মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। একসময় তাঁর হৃদয়ে লালন করা মানব সেবায় নেমে পড়েন তিনি।

অন্যায়-অত্যাচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার প্রত্যয় নিয়ে তাঁর নিজ ইউনিয়ন ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থেকে প্রায় ৪গুণ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন এ “ জননন্দিত নেতা” নন্দিত এ নেতা জনগণের প্রান প্রিয় “আলতাফ মাস্টার” ক্রমান্বয়ে পুরো উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। আর এ জনপ্রিয়তাই তিনি নির্বাচিত হলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান । তিনি সদালাপি ছাড়াও বিভিন্ন গুণের অধিকারী !

তিনি কখনো কারো ওপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে প্রতিশোধ নেয়ার স্পৃহা জাগেনি। তাই তিনি সকল দল মতের লোকের কাছে আস্থা ও প্রিয়ভাজন ব্যক্তিত্ব। জনপ্রিয় এ নেতা “ আওয়ামীলীগ” রায়পুর উপজেলা কমিটির সদস্য। অথচ এ শিক্ষক ও জনপ্রিয় লোকটির যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি নিজ দলে। তাঁর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে ৩ বছর অতিবাহিত হয়েছে, এরই মধ্যে তিনি উপজেলার স্কুল, মাদ্রাসা, এতিমখানা, পুল, কালভার্ট, মন্দির ও মসজিদ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তাঁর অফিসিয়াল কাজে নেই শম্ভুক গতি। তাঁর দপ্তরে কোন ব্যক্তি গিয়ে অবমূল্যায়িত হননি এবং হবে বলেও মনে হয়না। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী বঙ্গঁবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা লক্ষ্মীপুরে জনসভা উপলক্ষে এসেছিলেন, তাঁর জনসভায় এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মাস্টার আলতাফ হোসেন হাওলাদার। হাজার হাজার লোক নিয়ে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ওই জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। যা জেলার অন্য কোন নেতার দ্বারা সম্ভব হয়নি। যে জন্য তিনি ঈর্ষার কারণ হতে পারেন।

এ নিয়ে আলতাফ হোসেন মাষ্টার বলেছেন , আমি জনগনের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত থাকবো।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২০জুন২০১৭ইং/নোমান