নদীতে সেতু নেই, ভোগান্তীর অভাব নেই
আনিস মিয়, ময়মনসিংহ ।।
এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বড়ই-বাড়ি ডয়হা নদীতের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। সেতু না থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে হচ্ছে এই মানুষ গুলোর ।তবে এতে বেশি সমস্যা হচ্ছে গ্রামগুলোর শিক্ষার্থীদের। গৌরীপুর উপজেলার ৫ নং সহনাটির বড়ই গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ডয়হা নদী। নদী পারাপারের জন্য একটি খেয়া নৌকা রয়েছে। দড়ি টেনে নিজেরাই ণৌকা দিয়ে এপার থেকে ওপারে আসা যাওয়া করে। এ অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তীর শেষ নেই, নদীপারের বড়ই গ্রামে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,আশেপাশে কোন স্কুল না থাকায় এই স্কুল টিই এক মাত্র ভরসাসা নদীর দক্ষিনপারের মানুষদের। দক্ষিন পাড়ের সোহাগীপাড়ার অংশের কয়েক টি গ্রামের ২৫০-৩০০ শিক্ষার্থী নদী পার হয়ে এপারে আসতে হয়। আবার এপারের ১১ টি গ্রামের লোক জনকে, প্রায় ১০ কি.মি. ভিতরে কোন স্বাস্থ্য ক্লিনিক না থাকায় বাধ্য হয়েই,স্বাস্থ্য সেবা নিতে নদী পার হয়ে পার্শ্ববর্তী ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী বাজারে যেতে হয়। নদীর পূর্ব পাড়ে বড়ই- বাড়ি,টেংগাপাড়া,ধোপাজাজ্ঞাংলীয়া,সানিয়াপাড়া,ভালুকবের,পাছার,সহনাটি এবং পশ্চিম পাড়ে সোহাগী পাড়া,ঝিগাতলা,মাইজবাগ,মাসকান্দা,বাড়ই- গ্রাম,দড়িবিড়ি,কাঁঠালিয়া গ্রাম। যেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের বসবাস । নদীর ওপার বড়ই- গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায় নৌকা দিয়ে আসতে অনেক কষ্ট কয়,অনেক সময় স্কুলে যেতে অনেক দেরি হয়ে যায়,অনেক সময় আমাদের বই খাতা জামা কাপড় পানিতে ভিজে যায়। এ পরিস্থিতিতে একটি সেতু নির্মাণের জোড় দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। সেতুর অভাবে টেংগাপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা এপার থেকে ওপারে যেতে আধ ঘন্টা থেকে পৌনে একঘন্টা সময় লেগে যায়। এতে স্কুল ও সাধরন মানুষের কাজে যেতে অনেক সময় লেগে যায় । এ পরিস্থিতিতে একটি সেতু নির্মাণের জোড় দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১২-০৭-২০১৭ইং/ অর্থ