জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটির নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে
মোস্তাকিম বিল্লাহ, জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : জলঢাকা উপজেলা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি বড় পরিসরে নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। জলঢাকা উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি জলঢাকা ডাকবাংলো মাঝে অবস্থিত শহীদ মিনারটি আকারে অত্যান্ত ছোট অপরিসর স্থানে হওয়ায় বিভিন্ন দিবসে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর সময় অনাঙ্খিত সমস্যা সৃষ্টি হয়। ফলে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান ঢাকার জাতীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ডিজাইন অনুযায়ী বড় করে নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন । এই শহীদ মিনারটি সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫,০০,০০০(পঁচিশ লক্ষ) টাকা । মাননীয় সংসদ সদস্য ইতিমধ্যে শহীদ মিনার নির্মানের জন্য দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছেন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় তার পক্ষ হতে এক লক্ষ টাকা প্রদান করেছেন তাছাড়া জলঢাকা পৌরসভা ও নীলফামারী জেলা পরিষদ হতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের আশ্বাস পাওয়া গেছে ।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার ব্যবস্থাপনাসহ জলঢাকার আপামর জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে জলঢাকা মুক্তিযুদ্ধ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হবে, জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পার্শ্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপন করা হবে, জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এর মধ্যে ওয়াইফাই সুবিধা সম্পন্ন একটি মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার নির্মাণ করা হবে, শহীদ মিনার চত্বরে সর্বস্তরের জনসাধারণের সুবিধার্থে হাঁটার জন্য ওয়ার্কিং ওয়ে ও বসার জন্য পার্ক চেয়ার স্থাপন করা হবে, শহীদ মিনার মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার ও শহীদ মিনার চত্বর এলাকা ও বাগান পরিচর্যা করার জন্য একজন কেয়ারটেকার কাম মালি নিয়োগ করা হবে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ ও অর্থ প্রকল্প কমিটির সভাপতি জনাব আবদুল গফফার সভাপতি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, জলঢাকা তিনি শহীদ মিনারটি নির্মাণের ক্ষেত্রে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন । জলঢাকাবাসী এখন তাকিয়ে আছে উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় শহীদ মিনারটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আশায়।