বগুড়ায় হামলা-ভাংচুর- মারপিট, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা
বগুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব জের ধরে প্রভাব বিস্তার ও পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বগুড়ার শাজাহানপুরের দুবলাগাড়ী বন্দর এলাকা ক্রমেই সহিংস হয়ে উঠতে শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে একের পর এক হামলা-ভাংচুর- মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। সহিংস ঘটনায় স্থানীয়রা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুবলাগাড়ী স্ট্যান্ডে পুলিশের সামনে লাঠিসোটা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে প্রতিপক্ষের আঘাতে গুরুতর আহত হয় এক বৃদ্ধ। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিবেশ শান্ত করতে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নকিব (২২)কে আটক করে। পরে উভয় পক্ষের সমঝোতায় নকিবকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এর আগে ১৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব তালেবুল ইসলাম দুবলাগাড়ী ডিগ্রি কলেজ গভর্নিং বডির একটি সভায় যোগ দিতে প্রাইভেট কার যোগে যাওয়ার সময় কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারি শ্রমিকলীগ নেতা আজিজার রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা অতর্কিত ভাবে লাঠি-শোটা দিয়ে প্রাইভেট কার ভাংচুর করে। কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা যুবলীগের দুই নেতাকে মারপিট করে। এছাড়াও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক বিরোধসহ যে কোন ধরনের বিরোধে পক্ষে- বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রায়ই এই ধরনের সহিংস ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। এঅবস্থায় প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ না নিলে দুবলাগাড়ী এলাকায় যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমনকি মার্ডারের মত ঘটনাও ঘটে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
এ প্রসঙ্গে থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, দুবলাগাড়ী এলাকায় পুলিশী নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে। অপরাধী যেই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান ওসি।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২৭-অক্টোবর–২০১৭ইং/নোমান