মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

রমরমা দেহ ব্যবসা ও জুয়া খেলা তারাকান্দার নির্জন এলাকায়

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৭৫ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

শম্ভুগঞ্জ (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতাঃ ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের নিভৃত নির্জন পল্লীতে ৩ সন্তানের জননী রবিলা খাতুন (৩৫) স্বামী আজিজুল হকের বাড়িতে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন বয়সের নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চলে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসীর অভিযোগ কথিত রবিলা খাতুন এইসব অসামাজিক কার্যকলাপ দীর্ঘদিন করার জন্য নিজ এলাকা বিজয়নগর থেকে তাকে বিতাড়িত করা হলে বিসকার নয়া পাড়া নামক স্থানে ঘাঁটি করে আবারো পুরোদনে তার অনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করে । এ বিষয়ে কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তার খদ্দের দিয়ে বিভিন্ন ভাবে হুমকী প্রদর্শন করায় ভয়ে কেউ মুখ খোলে না।

এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় এখানে বহিরা গত ছেলে মেয়ে ছাড়াও তার বাড়িতে নিয়মিত কিছু মেয়ে রাখা হয় এবং নির্জন বাড়ী হওয়ায় আশেপাশে কোন বাড়ী না থাকায় দিনে রাতে চলছে দেহ ব্যবসা ও জুয়া খেলা। সব সময় এখানে খদ্দেরের আনা গোনায় অনৈতিক কর্মকান্ড চলে আসছে। সকল শ্রেণী পেশার লোকজন হয়ে থাকে তার নিয়মিত খদ্দের। লোকমুখে শুনা যায় রবিলা খাতুন ও তার স্বামী আজিজুল হক দুজনেই মিলে এই অনৈতিক কাজ চালাচ্ছে। নিজেই এ পেশায় জড়িত থেকে সময়ের পরিবর্তনে বয়সের ভাটার টানে বাজারে তার চাহিদা কমে যাওয়ায় বাইরে থেকে মেয়ে এনে এ অসামাজিক কর্মকান্ড চালু করে। বর্তমানে কাউকে তোয়াক্কা না করে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তার স্বামী কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সকালে আর ফিরে রাত করে সেই সুবাধে এখাকি নির্জন বাড়ীতে এলাকার পতিত কিছু লোকজনের সহযোগীতায় এসব অসামাজিক কাজ করার সাহস পাচ্ছে। আর তার সাথে এতে স্কুল কলেজ পড়ুয়া কোমল মতি শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট হচ্ছে এর ফলে আর এলাকার সুনাম নষ্ট হচ্ছে। আশেপাশে যাতায়াত পথচারিদের প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়।

এ বিষয়ে রবিলার কাছে জানতে চাওয়া হলে, তিনি দাপটের সাথে জানান আমি এ ব্যবসার সাথে জড়িত অনেক দিন যাবত, প্রশাসন পাড়লে আমাকে ধরে নিয়ে যাক।

স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউ.পি সদস্য-সদস্যা, স্থানীয় চেয়ারম্যানগণকে এ ব্যপারে এলাকাবাসী অবগত করলে তাহারা ঘঠনাটি দেখছি বলে সময় বার করছে জানায়। এ দিকে রবিলা খাতুনের এ ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এলাকার পুরুষি মানুষ পরনারীতে আসক্ত হয়ে পড়ায় পারিবারিক কলহ বেড়ে চলেছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ।