মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

আখাউড়ায় শিক্ষকের গাফিলতির কারণে এক JSC পরীক্ষার্থীকে এর চরম মূল্য দিতে হলো

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৭০ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

সাইমুন আহমেদ রবিন, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি।। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শিক্ষকের গাফিলতির কারণে লুৎফা আক্তার নামে এক জেএসসি পরীক্ষার্থীকে চরম খেসারত দিতে হয়েছে। বিদ্যালয় থেকে দেয়া প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে আটক হয় ওই ছাত্রী। লুৎফা আক্তার আখাউড়ার পৌরশহরের আখাউড়া নাছরীন নবী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।আজ বুধবার আখাউড়া শহীদ স্মৃতি কলেজ কেন্দ্রে  পরীক্ষা দিতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে। প্রায় ৪ ঘন্টা আটক থাকার পর মুচলেকা দিয়ে অভিভাবকেরা তাকে ছাড়িয়ে নেয়। লুৎফা উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের দূর্জয়নগর গ্রামের রঞ্জু মিয়ার কন্যা।ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি কক্ষে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীর চেয়ে একজন পরীক্ষার্থী বেশি হওয়ায় হল পরিদর্শক সকল পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখেন বৃষ্টি আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থী এসেছে যে শুধুমাত্র গণিত বিষয়ের পরীক্ষার্থী। কিন্তু পরীক্ষা দিতে আসা ওই ছাত্রী দাবী করে সে সকল বিষয়ের পরীক্ষার্থী। এই নিয়ে জটিল সমস্যা দেখা দিলে হল পরিদর্শক তাকে আটক করে হল সুপারের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে হল সুপারের নিকট ছাত্রী স্বীকার করে তার প্রকৃত নাম লুৎফা আক্তার। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বৃষ্টি আক্তার নামে পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছে। বিদ্যালয় থেকেই তাকে এই প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে।জানতে চাইলে কলেজ কেন্দ্রের হল সুপার মোঃ শাহ আলম বলেন, বৃষ্টি আক্তার নামের প্রবেশ পত্র নিয়ে আসা ছাত্রী প্রকৃত বৃষ্টি আক্তার নয়। প্রকৃত বৃষ্টি আক্তার মাত্র ১ বিষয়ের পরীক্ষা দিবে।
লূৎফা আক্তার জানায়, সে নাছরীন নবী স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে স্কুলের বেতনসহ যাবতীয় ফি ব্যাংকে রশিদের মাধ্যমে প্রদান করেছে। কিন্তু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার প্রকৃত নামে রেজিষ্ট্রেশন এবং ফরম পূরণ না করে বৃষ্টি আক্তার নামে তার ফরম পূরণ হয়েছে বলে জানায়।
এই ব্যাপারে নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিদ্যালয়ের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখছি কীভাবে এই সমস্যার সৃষ্টি হলো।এই ব্যপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শামছুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ব্যপারে বিদ্যালয়ের গাফিলতি পাওয়া গেলে কঠোর  হাতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।