কক্সবাজার রুটে বাস যাএীগণ হয়রানির শিকার
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (কক্সবাজার) ।। কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।এখানে শীতের মৌসুমে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে ভ্রমণ পিয়াসু মানুষ ছুটে আসে সৌন্দয্য উপভোগ করার জন্য। সড়ক পথ ছাড়া এখানে আসা যায় বিমান যোগে।প্রায় বেশির ভাগ মানুষ এখানে যাতায়াত করে সড়ক পথে।সড়ক পথে আসা পর্যটকগণ বাস রুটে আসার সময় হয়রানি শিকার হওয়া এখন নিত্যদিনের রুঠিন হয়ে গেছে।এমন হয়রানির শিকার হওয়া একাধিক ব্যাক্তির মাধ্যমে এমন চিএ উঠে আসে।চট্টগ্রাম থেকে আসা এক পর্যটক মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ “কে জানায় সড়ক পথে আসার সময় চট্টগ্রামের ব্রীজঘাট নামক স্থান থেকে কক্সবাজার গামী বাস যোগে রওয়ানা দিলে পৌছাতে সময় লাগে ৫-৬ ঘন্টা।কিন্তু এই রুটে কিছু অসাধু বাস চালক ও বাস মালিকগণ জনপ্রিয় বাসগুলোর নাম ভাংগিয়ে যাএীদের সাথে প্রতারণা করে আসতেছে দীর্ঘদিন।বাস গুলোর গায়ে হানিফ,সৌদিয়া,শ্যামলী লেখা থাকলে ও বাস্তবে সেগুলোর সেবা একেবারে নগন্য।এই বাসে এক পর্যটক ৪টায় রওয়ানা দিলে গন্তব্যে এসে পৌছায় রাত ১০টায়।বাসগুলো বিরতিহীন বলে সেবার কথা বললেও বাস্তবে তার কোন মিল পাওয়া যায়না।সকল স্টেশনে যাএী উঠা নামা করে তারপর গন্তব্যে এসে পৌছায়।এ বিষয়ে যে বাসগুলোর নাম ব্যবহার করে এই প্রতারণা করে তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে ওরা দীর্ঘদিন ধরে এই রকম করে রুটে বেনামে বাস চলাচলে লিপ্ত থাকে। এই বিষয়ে কক্সবাজার সদর থাণার এসআই মনির এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ও একই মত প্রকাশ করেন এবং বলেন তিনি ও এই রকম হয়রানির শিকার হয়েছেন গতবছর। কক্সবাজার বাজার কটেজ জোনের এক ব্যবসায়ী এ বিষয়ে জানান যে তাদের কটেজে আসা পর্যটকগণ এমন হয়রানির শিকার হওয়ার গল্প।তারা জানান তাদের সময় অপচয় হয় এবং নিরাপওা ঝুকি থাকে এইসব নামধারী পরিবহনে যাতায়াত কালে। দীর্ঘদিন চলে আসা এই হয়রানি বন্ধে ভোক্তা সংরক্ষন অধিকার আইনের আওতায় এনে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে পর্যটক ও যাএীদের এমন দূরাবস্তা লাগব করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভোগান্তির শিকার হওয়া নাগরিকগণ।