মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

হত দরিদ্র পাহাড়ী প্রত্যান্ত অঞ্চলের শিশু কিশোরদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ায় “আলোর ভুবন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদার করলো দৃষ্টি নিউজ ২৪ ডট কম পরিবার

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৭১ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

স্টাফ রিপোর্টার ।। টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর এলাকার পাহাড়ী গ্রামীন এলাকার হতদরিদ্র শিশু কিশোরদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে “আলোর ভুবন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদার করেছে অনলাইন নিউজ পেপার দৃষ্টি নিউজ ২৪ ডট কম পরিবার। গত মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকার একটি হোটেলে আর্থিক সহযোগিতার চেক হস্তান্তর করা হয় ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৃষ্টি নিউজ ২৪ ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক এস এম আমিনুল মোমিন,ইফাদ গুরুপের পাবলিক রিলেশন ম্যানেজার সুমন প্রামানিক,জাতীয় দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক আলম শেখ। “আলোর ভুবন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর ইসলাম,শহিদুল্লাহ কায়সার শুভ প্রমুখ উপস্থিত থেকে বিশ হাজার টাকার একটি চেক টি গ্রহন করেন।

এ সময় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক নুর কিবরিয়া পলাশ ।

জানাগেছে,উচু নিচু টিলা আর পাহাড়ী গজারিবন এলাকায় খ্যাত প্রত্যান্ত মধুুপুর উপজেলার দক্ষিন জাঙ্গালীয়া আনন্দ বাজার এলাকায় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা স্কুল না থাকায় সেখানকার শিক্ষার আলো পৌছায় নি বললেই চলে।
এরকম পরিবেশ থেকে নিজ এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে স্থানয়ি উঠতি বয়সী তরুনরা নিজেদের মধ্যে ওক্য গড়ে তুলে ২০০৮ সালে। নিজেরা প্রতি মাসে ২শ কেই ৩শ টাকা চাদা সংগ্রহ করে । এভাবে প্রায় ৫০ জন একত্রিত হয়ে গড়ে তুলে “আলোর ভুবন আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল। বিদ্যালয় টি বর্তমানে এলাকার হতদরিদ্র পরিবার গুলোর মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বেশ সাড়া ফেলেছে। অর্জন করেছে নানা সাফল্য।বর্তমানে বিদ্যালয় টিতে প্রায় ৯০জন শিশু কিশোর শিক্ষা লাভ করছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক রবিন বলেন- এলাকায় রাবার বাগান আর গজারী বন থাকায় শিশুরা একটু বড় হওয়ার সাথে সাথেই রাবার বা গজারী পাতা কুড়ি পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করে। এ বিদ্যালয়টি গড়ে ওঠায় অনেক ঝড়ে পড়ার শিশুর শিক্ষা লাভ করতে পারছে। এলাকায় শিক্ষা সচেতনতা বেড়েছে। আর্থিক টানাটানির কারনে অনেক বাধা পোহাতে হয় স্কুল কর্তৃপক্ষের। সরকারের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র বই সহযোগিতা পাওয়া যায়। সরকারের সহযোগিতা পেলে বিদ্যালয়টির মাধ্যমে এলাকায় শতভাগ সফল ভাবে শিক্ষা কর্মসুচী গ্রহন করা সম্ভব।