মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

রনি আক্তারের প্রায় ৮০০০০০/- (আট লক্ষ) টাকা আত্মসাৎ : ভূয়া ব্যাংক কর্মকর্তার আইডি কার্ড ও সনদ পত্র পরিচয় দেখিয়ে

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৮৮ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

শম্ভুগঞ্জ (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা ।। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার শম্ভুগঞ্জত্র কালিবাড়ীর চরের রনি আক্তার ইনফরমেশন অফিসার এরিস্টোফার্মা লিমিটেড মেডিকেল। বর্তমানে সে ময়মনসিংহ সদরে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। এ ঘটনার বিবরণের প্রকাশকাল প্রায় আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার, মাইজবাগ ইউনিয়ন, তারাটি গ্রাম নতুন বাজার সংলগ্ন জনৈক আঃ আজিজ এর ছেলে মোঃ রুমন মিয়া (২৪) এর সাথে কালিবাড়ীর চরে বিয়ের কন্যা দেখতে আসার সুবাধে রনি আক্তার সাথে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে রুমন মিয়া নিজেকে রুপালী ব্যাংক উত্তরা শাখা , ঢাকার একজন কর্মকর্তা হিসাবে পরিচয় দেয়। তার সাথে ওই ব্যাংকের ভূয়া আইডি কার্ড দেখায়। উক্ত রুমন মিয়া রনি আক্তারে সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করে ফেলে এবং একদিন হুট করে রনি আক্তারকে বলেন ব্যাংকে ভালো চাকরি ব্যবস্থা করে দিবে। এক পর্যায় এই রুমন মিয়া রনি আক্তারকে প্রতারণার জালে ফেলে দেয় এবং গভীর বন্ধুত্ত্বে সৃস্টি করে ও উর মাঝে সরল বিশ্বাসের সৃষ্টি করে। কিন্তু রনি আক্তার সরল সোজা বিধায় আসল নকল বুঝবার চেষ্টা করে নাই। গভীর বিশ্বাসে রনি আক্তার রুমন মিয়াকে বলে ব্যাংকে চাকরি ব্যবস্থা করতে। রনি আক্তারের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকে চাকরির জন্য ৭ লক্ষ টাকা দাবি করে ফেলে এবং দ্রুত টাকা দিতে বাধ্য করে বলে জানা যায়। রনি আক্তার কিছু না বুঝেও সরল সোজা থাকায় ১ম পর্যায়ে এককালীন ৫লক্ষ টাকা ও পরে বিকাশ এজেন্ট ও ডাচবাংলার রকেট মাধ্যমে আরও ১লক্ষ টাকা এবং রনির স্ত্রীর হোসনা আক্তারের কাছ থেকে আরও ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। সে যে যে বিকাশ এজেন্ট ও ডাচবাংলার দিয়ে পাঠায় সেই নাম্বারগুলো যথা- ০১৭৫৫-৫৫৪২৮৫, ০১৯২২-১১৭৪৭৪, ০১৭২২-০৫৫৬১১, ০১৭১৭-৮৭৪৬৭১, ০১৮৭৭-৩৩৬৪০৫, ০১৮৫৫-২২৩২২৭৬,০১৯৭৭-৭৮২৬৩২২ এগুলোসহ আরও অনেক নাম্বারে রুমন মিয়া টাকা হাতিয়ে নেয় । পরে কয়েরক দিন পর চাকরির জন্য জোরপূর্বক চাপ দিলে আসল খোলস বেরিয়ে আসে। সে আসলে ব্যাংক কর্মকর্তা নয়। তখন এলাকায় খুঁজ নিয়ে জানা যায় তার রুমনের পিতা- আঃ আজিজও প্রতারণা করছে। রুমনের পিতা বাংলাদেশ সেনাবাহীনিতে চাকরি দেওয়ার নাম করে অনেক লোকের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা যায়। রুমন মিয়া ব্যাংকের অবৈধ আইডি কার্ড ও সনদপত্র তৈরি করে তা ব্যবহার করে বলে আমি রুপালী ব্যাংক উত্তরা শাখা ঢাকায় চাকরি করি। তখন এ বিষয়ে কোতুয়ালী থানায় তারিখ- ৪/১১/২০১৭ একটি জিডি করা হয়। যাহার নং-৩৩২। ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার এর বরাবর রনি আক্তার ২৮/১২/২০১৭ইং তারিখ অরেকটি অভিযোগ করে। যাহার স্মারক নং- ২২২১। যে অভিযোগটি এখনও তদন্তদীন আছে। এই তদন্তের মাধ্যমে সঠিক ন্যায় বিচারের আশাবাদী রনি আক্তার ।