মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য নিরুদ্দেশ করে রাখার মহাপরিকল্পনা : খালেদা

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৮ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

রাজনীতি ।। গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য নিরুদ্দেশ করে রাখার মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের ‘মিথ্যা অভিযোগে’ গ্রেপ্তার করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

নিজের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অ‌্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. ইয়াসিন আলীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এই অভিযোগ করেন।

গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘সরকার সারাদেশকে গ্রাস বরতে সর্বনাশা নীতি অবলম্বন করেছে। এই নীতির তাৎপর্য হচ্ছে হুকুমবাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিরোধী দল ও ভিন্ন মতের অস্তিত্বের চিরদিনের জন্য অবসান ঘটানো। দিন যতই অতিবাহিত হচ্ছে ভোটারবিহীন সরকারের জিঘাংসার মাত্রা ততোই ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে।’

সরকার জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তারকে বিরোধী মত দমনে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা সরকারের জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে। মানুষের প্রতিবাদী স্রোত যেন ক্ষমতার মসনদের দিকে ধেয়ে না আসে সেজন‌্য এই নীতিতে রয়েছে তারা। এই লক্ষ্য পূরণে তৈমুর আলম খন্দকারের মতো একজন প্রাজ্ঞ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদকে বিনা কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারুণ্যের শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য ইয়াসিন আলীর মতো যুবকদেরও কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছে।’

দেশে গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই মন্তব‌্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘বিরোধী দল সংবিধান স্বীকৃত সব রাজনৈতিক অধিকার থেকে এখন বঞ্চিত। মৌলিক ও মানবাধিকার বর্তমান সরকার আগেই ভুলুন্ঠিত করেছে। গণমাধ্যম এখন পরাধীন। আইন-আদালতও এখন শাসকগোষ্ঠীর মুখাপেক্ষী।’

গ্রেপ্তারের ঘটনা বন্ধ করে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত‌্যাহার এবং আটক নেতাদের মুক্তি দাবি করেন খালেদা জিয়া।