মূল সংবাদে যান
০৯ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ার করুন

সরকারের গ্রিন সিগন্যালেই কয়লা খনিতে লুটপাট হয়েছে

রাজনৈতিক রিপোর্ট ৯৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে এত বিশাল পরিমাণ কয়লা লুটপাটের পর দুদক তদন্ত শুরু করেছে, ‘যেন রোগী মরিবার পর ডাক্তার আসিলেন’। আসলে দুদক তো সরকারের দুর্নীতি ধোয়ার মেশিন। আর বিরোধীদলের জন্য দুদক টর্চারিং মেশিন। দুদকের তদন্ত আইওয়াশ মাত্র। আসলে এই অবৈধ সরকারের আমলে মহাদুর্নীতি, সুপারদুর্নীতি, মেগাদুর্নীতিরই জয়জয়কার।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী বলেন, খনির কয়লা উৎপাদন বন্ধ থাকার ঘোষণা, কয়লা সরবরাহ বন্ধ, গত বছর জুলাইয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং সম্প্রতি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার পরও মন্ত্রণালয়ের হুঁশ হল না কেন, তাতেই প্রমাণিত হয়-ক্ষমতাসীন মহলের গ্রিন সিগন্যাল ছাড়া লাখ লাখ টন কয়লা অদৃশ্য হয়ে যায়নি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী শাসনামলে এত বিপুল পরিমাণ কয়লা চুরিতে কেউ বিস্মিত নয়। কারণ মেগা চুরির ঘটনা কেবল তাদের আমলেই ঘটে। স্বয়ং অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন-এখন পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি হয়।

সরকারের মাদকবিরোধী অভিযানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই অভিযান জনমনে আতঙ্কের হিম শীতল স্রোত বইয়ে দিচ্ছে। প্রতিদিনই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে চলছে মানুষ হত্যার উৎসব। মাদক অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রায় আড়াইশো ব্যক্তিকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সরকারের বাহিনীগুলো গর্বের সঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযানের কথা বলছেন জোরেশোরে।

তিনি বলেন, লোক দেখানো অভিযানে মাদকের শেকড় উপড়ে ফেলা যায় না। যার কারণে ক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্ট বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মনে ভয় ঢোকানোর জন্য এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযানে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।