এবার থার্টি ফার্স্ট নাইটে কক্সবাজারে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে না

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ নিরাপত্তার স্বার্থে এবার থার্টি ফার্স্ট নাইটে কক্সবাজারে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে না। যার ফলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার পর আর কোনো অনুষ্ঠান করা যাচ্ছে না। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ জেলার সকল স্থানে সব অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে সন্ধ্যার আগে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে কক্সবাজারে সন্ধ্যার পর থার্টি ফার্স্ট নাইটসহ সকল প্রকার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত সকলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সকল অনুষ্ঠান চলবে দিনের আলোয়-সন্ধ্যার আগে। এ বিষয়টি হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজ ও রিসোর্ট মালিকদেরও জানিয়েছে দেওয়া হয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট মানেই কক্সবাজার উৎসবের নগরী। বিশেষ করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ওপেন কানসার্টে দেশবিখ্যাত শিল্পীদের সংগীত অনুষ্ঠান এর অন্যতম আকর্ষণ। দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে এসব আয়োজন হয়ে আসছে। এবার আরো ব্যাপকহারে এসব আয়োজনের কথা ছিল। বিশেষ করে সরকার ঘোষিত পর্যটন বর্ষ ২০১৬ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আয়োজন করা হয়েছে ৩ দিনব্যাপী বিচ কার্নিভাল। যে কার্নিভালকে ঘিরে ছিল অনুষ্ঠানের ব্যাপক আয়োজন। কিন্তু প্রশাসনিকভাবে সন্ধ্যার পর থেকে সকল প্রকার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ জেলার সকল স্থানে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সন্ধ্যার পর কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়। এর কারণে পর্যটক আগমণে কোনো প্রকার প্রভাব পড়েনি।
কক্সবাজার হোটেল মালিক সমিতির সহ সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস কটেজ ও রিসোর্টে নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়নি। তবে ৩ দিনব্যাপী মেগা বিচ কার্নিভালের নানা ধরনের অনুষ্ঠান থাকায় প্রতিটি হাটেল মোটেল গেস্ট হাউস কটেজ ও রিসোর্টে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।
কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হোসাইন মো. রায়হান কাজেমী জানান, পর্যটকের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সর্তক রয়েছেন তারা। ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ ও র্যাব এর সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ে থাকছে কক্সবাজারের গুরুত্বপূর্ণ সকল স্থান। সাদা পোশাকে নজরদারি ও বিশেষ চেক পোস্টও রয়েছে।