মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

ভাঙ্গারি দোকান থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৫৪ বার পঠিত

gajipur

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ টঙ্গীর হিমারদিঘী এলাকায় মোজাম্মেল হক মজু (১৪) নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার পর তার লাশ দোকানে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে ভাঙ্গারী দোকান মালিকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় দোকান মালিক সমুনকে (৪৮) গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্যের বাড়ির সামনে লাশ নিয়ে মিছিল করেছে বস্তিবাসী। নিহত মজু নোয়াগাঁও তিস্তার গেইট বস্তি এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মজু হিমারদিঘি এলাকার সুমনের ভাঙ্গাড়ির দোকানে কাজ করত। কয়েকদিন আগে দোকান মালিকের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা অগ্রিম নেয়। তারপর থেকে সে দোকানে যেত না। সুমন গতকাল সোমবার সকালে মজুকে রাস্তা থেকে ধরে দোকানে নিয়ে যায়। সারাদিন বাসায় না ফেরায় মজুর মা বকুলি বেগম নানা জায়গায় খোঁজাখুজি করে না পেয়ে রাত ৯টার দিকে ভাঙ্গারী দোকানে যায়। কিন্তু দোকানে তালা লাগানো দেখে ফিরে আসে। রাত ১২টার দিকে ওই দোকানের এক কর্মচারী বকুলি বেগমকে ফোন করে জানায় দোকানের ভিতরে সুমনের লাশ ঝুলছে। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে রাত ১টার দিকে টঙ্গী থানার এসআই আবুল খায়ের দোকানে মজুর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মজুর বাবা জামাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, দোকান মালিক সুমনের স্ত্রী নাছরিন আক্তার টঙ্গী থানা আওয়ামী মহিলা লীগ নেত্রী। পুলিশ
ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের করতে বলে। তিনি রাজি না হওয়ায় আজ দুপুর পর্যন্ত মজুর লাশ থানাতে পড়ে ছিল। এ ঘটনাটি জানাজানি হলে বস্তিবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি তড়িঘড়ি করে গাজীপুর মর্গে পাঠায়।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, হত্যার পর তার ছেলেকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ এলাকায় পৌঁছালে বিচার দাবি করে বস্তিবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন। আপোষের জন্যে তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই আবুল খায়ের জানান, ভাঙ্গারি দাকানের ভিতরে সুমনের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে। তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এটি হত্যা, না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।

এ ব্যাপারে টঙ্গী থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে মজুকে ধরে দোকানে নিয়ে যাওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে মামলা নেওয়া হবে।