পাবনার ঈশ্বরদী বিমান বন্দর চালু ও প্রকল্প এলাকায় রেল স্থাপন জরুরী
মামুনুর রহমান (পাবনা) প্রতিনিধি ॥ রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের যন্ত্রাংশ পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করতে ঈশ্বরদী বিমান বন্দর চালু ও প্রকল্প এলাকায় রেল সংযোগ স্থাপন জরুরী বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
রাশিয়ান সরকারের রোসাটমের সাথে চুক্তি মোতাবেক কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ি নির্দিষ্ট গতিতে রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। তবে প্রকল্প এলাকায় রেল সংযোগ না থাকায় কন্টেইনারসহ ভারী মালামাল পরিবহন এবং ঈশ^রদী বিমান বন্দর চালু না থাকায় কাজের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব সমস্যা দূরিকরণের জন্য ইতি মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় থেকে মন্ত্রী পরিষদে ডিও লেটার প্রেরণ করা হয়েছে। যদিও ঈশ^রদীবাসীর পক্ষ থেকে বিমান বন্দর চালু ও রেল লাইন সংযোগের বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে নানাভাবে দাবী করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ি প্রথম ইউনিটের নিইক্লিয়ার রিএ্যাক্টর কনস্ট্রাকশন নির্মান কাজ শুরু হবে ২০১৭ সালে এবং কমিশনিং করা হবে ২০২২ সালে। দিত্বীয় ইউনিটের নিইক্লিয়ার রিএ্যাক্টর কনস্ট্রাকশন নির্মান কাজ শুরু হবে ২০১৮ সালে এবং কমিশনিং করা হবে ২০২৩ সালে। তবে আশার কথা হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিকে সম্মান দেখিয়ে চুক্তির বাইরেও রাশিয়ান সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রথম পর্যায়ের একটি কমিশনিং ২০২১ সালের মধ্যেই সম্পন্ন করবেন বলে বাংলাদেশ সরকারকে আশ^স্ত করেছেন। প্রকল্পের মূল স্থাপনার জন্য ২’শ ৬০ একর এবং আনুসাঙ্গিক স্থাপনার জন্য প্রায় ৮’শ একর জমির উপর রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রল্পের নির্মান কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ বছরের ২ অক্টোবর তারিখে এ প্রকল্প নির্মান কাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা। প্রাক্কলিত মোট ব্যয়ের মধ্যে রাশিয়ান সরকারের ৯০ শতাংশ টাকা ও বাংলাদেশ সরকারের ১০ শতাংশ টাকায় এ নির্মান কাজ সম্পন্ন করা হবে।
