মূল সংবাদে যান
২৩ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

লভ্যাংশ সরাসরি পাবে না (মার্জিন) শেয়ার কেনা বিনিয়োগকারীরা

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৪১ বার পঠিত

stock-trading

এসব বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে যাবে বলে মঙ্গলবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক বিএসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এখন থেকে মার্জিনধারী বিনিয়োগকারীরা কোনো কোম্পানির রাইট শেয়ার অন্য কারো নামে স্থানান্তর (রিনানসিয়েশন) করতে পারবে না বলেও মঙ্গলবারের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।

বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিপি তথা ব্রোকারেজ হাউজ তার প্রতিষ্ঠানের মার্জিন ঋণধারী বিনিয়োগকারীদের নাম ও বিও হিসাবের তালিকা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে পাঠাবে। কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সব বিনিয়োগকারীর প্রাপ্য লভ্যাংশের অর্থ সরাসরি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেবে অথবা ওই পরিমাণ অর্থের চেক (ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট) দেবে। সেখান থেকে বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য লভ্যাংশ বিতরণ করবে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজ।

মার্জিন ঋণ গ্রহণকারী বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য লভ্যাংশ তাদের ব্যাংক হিসাবে জমা না করে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজের ব্যাংক হিসাবে জমা করতে দীর্ঘদিন ধরে স্টক ব্রোকাররা দাবির পর এই সিদ্ধান্ত নিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

স্টক ব্রোকারদের অভিযোগ, অনেক বিনিয়োগকারীর ইক্যুইটি (নিজস্ব অর্থ) ঋণাত্মক হয়ে পড়লেও তারা নতুন করে মার্জিন বা টাকা জমা দিচ্ছে না। তাদের হিসাব থেকে কোনো সুদও পাচ্ছে না ঋণদাতা ব্রোকারেজ হাউজ।

কিন্তু অন্য কোনো উৎস থেকে ঋণ নিয়ে গ্রাহককে দেওয়া অর্থ ফেরত না পেলেও সংশ্লিষ্ট ব্রোকারহাউজকে ঠিকই ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে বিভিন্ন কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডঘোষিত লভ্যাংশের অর্থ সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ায় তারা ঠিকই লাভবান হচ্ছে।

ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ভাষ্য, লভ্যাংশ তাদের হিসাবে জমা হলে তা দিয়ে তারা ঋণের সুদাসলের কিছুটা পরিশোধ করতে পারত।

২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে মার্জিন ঋণধারীদের প্রাপ্য লভ্যাংশ মার্চেন্ট ব্যাংকে জমা হচ্ছে।