মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

সরকারের শেষ অর্থবছরের বাজেটের আকার হবে ৫ লাখ কোটি টাকা

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৪ বার পঠিত

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ

বর্তমান সরকারের শেষ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৫ লাখ কোটি টাকা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একটি ই-কমার্স পোর্টালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গত ২ জুন অর্থমন্ত্রী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা ব্যয়ের বাজেট পেশ করেছেন।

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের শেষ অর্থবছরে বাজেট হবে ৫ লাখ কোটি টাকার। তবে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা না পেলে ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া সম্ভব হবে না।

 

এ সময় তিনি আরো বলেন, জাতীয় ব্যাধি ঘুষ, দুনীতি কমিয়ে আনতে বড় প্রতিশোধক হচ্ছে ই-কর্মাস। লেনদেনে পেমেন্ট, ই-পেমেন্ট ও ই-সিটিস পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারলে দুর্নীতির ঝুঁকি কমে যাবে।

 

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য সুখবর যে, আমরা আইসিটি ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছি। আসন্ন বাজেটেও এ বিষয়ে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছি। বর্তমানে ই-কমার্সের বিশ্ববাজার ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের। আমরা মাত্র ১ হাজার কোটি টাকার লেনদেন করি।’

 

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমরা আইসিটি সেক্টরকে শুধু আমদানি নির্ভর না করে রপ্তানির জন্য উৎপাদনমুখী করতে চাই। আমরা শুধু ভোক্তা বা ডিস্ট্রিবিউটর হব না, উৎপাদন করে আইটি পণ্য বিশ্বব্যাপী বিপণন করব।’

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ই-কর্মাসের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বা সক্ষমতা। সরকার মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছে। দারিদ্র্য দূর করে সাড়ে চার কোটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি তৈরি করেছে।

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, তাদের গ্রাহক লক্ষ্যমাত্রার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- অভিবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ। বিশ্বের যেকোনো দেশের যেকোনো মানুষ তাদের পোর্টাল থেকে পছন্দপণ্য কিনতে পারবেন। ক্রয়কৃত পণ্য বিশ্বের ২২০টি দেশের যেকোনো শহরের যেকোনো ঠিকানায় পৌঁছে দেবে। তাদের ই-কমার্স পোর্টাল Nrbbuysell.com

 

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান দিলারা আলী খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বেসিস সভাপতি শামীম আহসান, জাতিসংঘের প্রাক্তন আবাসিক প্রতিনিধি আবদুল মোমেন প্রমুখ।