মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনার পর নতুন করে আবারও ৫০৭ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ২৬৬ টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সোনালী ব্যাংকের নামে

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৪ বার পঠিত

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনার পর নতুন করে আবারও ৫০৭ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ২৬৬ টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংকের। নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রকল্প ঋণ দেখিয়ে ‘মুন্নু ফেব্রিক্স’র মাধ্যমেই গায়েব করে দেয়া হয়েছে ১৪৩ কোটি ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

এছাড়া প্লেজ ঋণের ঘাটতি মালামালের মূল্য নগদে আদায় ছাড়াই আসল ও সুদসহ বারবার ব্লক ঋণে রূপান্তর এবং প্রয়োজনীয় ডাউনপেমেন্ট আদায় না করে পুনঃতফসিলিকরণ ও পর্যাপ্ত সহায়ক জামানত গ্রহণ না করে পুনরায় সিসি প্লেজ ঋণ নবায়নের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এমনকি ব্যাংকের নিকট দায়বদ্ধ থাকা গ্রাহকের সম্পদ ও মালামাল পরিচালনা বোর্ড কিংবা উচ্চপদস্থদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা ভাগ-ভাটোয়ারা করে নিয়েছেন ব্যাংকটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যাংকটির ঋণ পুনঃতফসিল ও সুদ কার্যক্রমের ২০০৯-১০ অর্থ বছরের হিসেবের উপর বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের উপস্থাপিত বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য মো. আব্দুস শহীদ, মোহাম্মদ আমানউল্লাহ, পঞ্চানন বিশ্বাস, মো. অফসারুল আমীন, বেগম রেবেকা মমিন, মইন উদ্দীন খান বাদল, এ,কে,এম, মাঈদুল ইসলাম এবং রুস্তম আলী। এসময় সিএন্ডএজি মাসুদ আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উপরে বর্ণিত অনিয়মের কারণে ব্যাংকের ৬১ কোটি ৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। কমিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অমান্য করে যেসব কর্মকর্তা ঋণ পুনঃতফসিল করার সঙ্গে জড়িত তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ, ঋণ গ্রহীতার জমাকৃত অর্থ ব্যাংকের হিসেবে নগদায়ন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তত্বাবধান জোরদার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যাতে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে পুনরায় ঋণ গ্রহণ না করতে পারে সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অন্যান্য ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি অবহিত করার সুপারিশ করেছে। অনধিক ৩০ দিনের মধ্যে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করে অডিট অফিসের মাধ্যমে কমিটিকে বিষয়গুলো অবহিত করতে বলেছে।

কমিটি দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, দায়েরকৃত মামলার তদারকি জোরদারকরণ এবং অনধিক ৬০ দিনের মধ্যে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করে অডিট অফিসের মাধ্যমে কমিটিকে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

 

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/     ১৯- ০৭-২০১৬ ইং/মো:হাছিব