মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

তৈরি পোশাকের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিতের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান : বাণিজ্যমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৫৭ বার পঠিত

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্টঃ

 

সোমবার ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কৃষিপণ্যের বাজার ও দাম বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের চতুর্থ সভার উদ্বোধনীতে তিনি এই আহ্বান জানান বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো কমপ্লায়েন্স করা হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “এতে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে, কিন্তু তৈরি পোশাকের মূল্য বাড়ানো হয়নি।

“পণ্যের ও শ্রমের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত না হলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলতে পারে। এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে পণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত হওয়া জরুরি।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সভাপতিত্ব করেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এতে মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে জানানো হয়, “বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।  বিশ্ব ব্যাংকের হিসাব মোতাবেক বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

“বাংলাদেশের বর্তমান রপ্তানি ৩৪ দশমিক ২৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে এ রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে শুধু তৈরি পোশাক থেকে আসবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।”

কৃষি অর্থনীতি নির্ভর বাংলাদেশে ৪০ ভাগ মানুষ এ খাতে কাজ করছে জানিয়ে তোফায়েল বলেন, স্বাধীনতার পর জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ছিল ৭৮ ভাগ, বর্তমানে এ অবদান ১৪ দশমিক ৯৫ ভাগ।

বাংলাদেশের উন্নয়নে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে এসডিজি’র ৮২ ভাগ অর্জন করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের বর্তমান ইকনোমিক গ্রোথ ৭ দশমিক ১ ভাগ, এর মধ্যে রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৭৭ ভাগ, যেখানে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ ভাগ।

কৃষি প্রধান বাংলাদেশে কৃষির আধুনিকায়ন, মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা, গবেষণা, উৎপাদিত কৃষিপণ্য যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করণ জরুরি বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করণের অভাবে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ কৃষি পণ্য নষ্ট হয়ে যায় জানিয়ে এ ক্ষেত্রে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যও প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে এফওএ-এর মহাপরিচালক জোসে গ্রাজিয়ানো দা সিলভা বক্তব্য রাখেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী পরে জোসে গ্রাজিয়ানো দা সিলভার সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় রোমে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহাস শিকদার এবং ইকনোমিক মিনিস্টার মো. মফিজুর রহমান মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

 

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম /   ০৩-১০-২০১৬ ইং/মোঃ হাছিব