দুর্গাপূজা ও আশুরায় বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্টঃ
বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা, সাপ্তাহিক ছুটি ও আশুরা মিলিয়ে ছয় দিন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দু-দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে এই সময় দু’দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে। এদিকে পূজা, আশুরা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে বেনাপোল বন্দর ও শুল্কবিভাগের কাজকর্ম চার দিনের জন্য বন্ধ থাকবে এতে সীমান্তের দুই পাশের ট্রাকজট আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান ৭ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দূর্গোৎসবের ছুটি ঘোষনা করেছেন রাজ্য সরকার। ওই সময় বন্দর শুল্ক বিভাগ ক্লিয়ারিং এজেন্ট ও ট্রান্সপোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারিরা ছুটিতে থাকবে বিধায় আমদানি রপ্তানি সহ সকল সীমান্ত বানিজ্য বন্ধ থাকবে। ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হবে আমদানি রফতানি।
বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়াডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সদস্য আলী হোসেন জানান ৬ অক্টোবার বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ওপারে বন্দর ও শুল্কভবনের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম চালু হবে। তিনি বলেন ৭ ও ৮ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি ১১ অক্টোবর পূজাও ১২অক্টোবর আশুরার ছুটি মিলে চার দিনের জন্য বেনাপোল বন্দর বন্ধ থাকবে। অন্যান্য দিন বেনাপোল বন্দর ও শুল্ক ভবন খোলা থাকবে।এ সময় আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পন্য খালাসসহ শুল্কবিভাগ ও বন্দরের সকল কাজকর্ম চালু থাকবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল জানান প্রতিদিন পেট্রাপোল বন্দর থেকে রফতানি পন্য নিয়ে সাড়ে ৪শ থেকে ৫শ’ট্রাক আসে বেনাপোল বন্দরে আর বেনাপোল দিয়ে দু’শ থেকে আড়াই’শ ট্রাক রপ্তানী পন্য নিয়ে যায় ভারতে। পেট্রাপোল বন্দরে টানা ছুটির কারনে সীমান্ত বানিজ্য বন্ধ থাকবে।দেশের ৭৫ভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাচাঁ মালামালের পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য আসে এই বন্দর দিয়ে।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম / ০৭-১০-২০১৬ ইং/মোঃ হাছিব