মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

রাজস্ব আয় বাড়াতে করা হচ্ছে নৌশুমারি

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৩৬ বার পঠিত

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্টঃ

 

দেশের সব নৌযানকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে নৌশুমারির কাজ শুরু করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। তারা এ কাজটি করছে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে। আজ রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, এ কাজের জন্য ৪৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে তিন বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। ন্যাশনাল শিপস অ্যান্ড মেকানাইজড বোটস ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং নামের এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এ কাজ শুরু করেছে। কমিটি মন্ত্রণালয়কে সময়ে সময়ে এ সম্পর্কিত তথ্য জানানোর সুপারিশ করেছে।

কার্যপত্র থেকে জানা যায়, শুমারির উদ্দেশ্য হলো সারা দেশের ইঞ্জিনচালিত বোটসহ অভ্যন্তরীণ নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করার মাধ্যমে নৌযান খাতকে শক্তিশালী করা। নৌযানের সব ধরনের সাধারণ ও কারিগরি তথ্য-সংবলিত ডেটাবেজ তৈরি করা। নৌযানগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে রাজস্ব আয় বাড়ানো। অনলাইন নিবন্ধন এবং সার্ভে সনদ ও নাবিক সনদব্যবস্থা প্রবর্তন করা। নৌপথে চলাচল করা স্পিড বোটকেও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যে স্পিডবোটের মালিকানা ও বিবরণ-সংবলিত তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি ফরম তৈরি করে তা মাওয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটের স্পিডবোট মালিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ছোট ছোট নৌযানের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ভ্যাট আদায় করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

এর আগে গত জুলাই মাসে সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছিলেন, সারা দেশে ৯২৩টি যাত্রীবাহীসহ মোট ১০ হাজার ২৯৬টি নৌযান চলাচল করছে। এর মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর সময়সূচি অনুযায়ী নিয়মিত ৬৯৫টি যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল করছে।

সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে সম্প্রতি বেনাপোল স্থলবন্দরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কমিটি সব স্থলবন্দরে স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপনের এবং ঝিনাইদহ স্থলবন্দর দ্রুত চালুর সুপারিশ করে।

কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, তালুকদার আবদুল খালেক, আবদুল হাই, এম আবদুল লতিফ, রণজিৎ কুমার রায়, আনোয়ারুল আজীম ও মমতাজ বেগম অংশ নেন।

 

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম /     ১৬-১০-২০১৬ ইং/মোঃ হাছিব