একটি ফেইসবুক পোস্টের সূত্র ধরে যে গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়েছিল, তা সত্যি হতে চলেছে বলেই ধারণা পাওয়া যাচ্ছে বঙ্গভবন সংশ্লিষ্টদের কথায়।
রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা এবং তার ঘনিষ্ঠ একজন গণমাধ্যমকে বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। তবে স্পিকার দেশে না থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডে গেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সূচি অনুযায়ী তার ২৬ তারিখ ফেরার কথা। তবে তার আগেই তিনি ফিরতে পারেন বলে আভাস পেয়েছেন তার দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. নূরুল আমীন বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বলেন, পদত্যাগপত্রে এখনো তিনি স্বাক্ষর করেননি। পদত্যগ করলে জানানো হবে।
তবে বঙ্গভবনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেছেন, স্পিকার দেশে না থাকায় চাইলেও সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারেন।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ওই বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি শপথ নেন। সে অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা।
সূত্র: বিডি নিউজ