মূল সংবাদে যান
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেয়ার করুন

সৌদি আরবের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি হুতি বিদ্রোহীদের

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ২৪ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ
সৌদি আরবের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি হুতি বিদ্রোহীদের

ইয়েমেনে বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে সৌদি আরবের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। আজ সোমবার গোষ্ঠীটি এমন দাবি করে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে অবস্থিত যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার, রাডার, রানওয়ে, গোলাবারুদ গুদামসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।

তিনি আরও দাবি করেন, এই অভিযানে সৌদি আরবের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সৌদি সিভিল ডিফেন্স আজ সোমবার খামিস মুশাইত এবং আবহা শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় সতর্কবার্তা জারি করেছে। এর আগের রাতেও ইয়েমেন সীমান্ত সংলগ্ন ওই এলাকায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল।

খামিস মুশাইতের এক বাসিন্দা এএফপিকে জানান, তিনি বিস্ফোরণের তীব্র শব্দ শুনতে পেয়েছেন। বিস্ফোরণের ফলে সেখানে দীর্ঘসময় ধরে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।

তিনি বলেন, সত্যি বলতে, আমরা সারা রাত ঘুমাতে পারিনি।

হুতি মুখপাত্র সারি অভিযোগ করেন, সৌদি আরব গত পাঁচ দিনে ইয়েমেনজুড়ে ৩০০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে, যা খামিস মুশাইত এবং তাইফ বিমান ঘাঁটি থেকে পরিচালিত হয়েছে।

ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের নতুন পর্যায় শুরু হয় গত জুলাই মাসে, যখন হুতিরা সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দেয় এবং লোহিত সাগরে সৌদি নৌযানগুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু করে। সেই সময় থেকেই সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তাদের নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে।

গতকাল রোববার হুতিরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের শারুরা ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার দক্ষিণাঞ্চলে চালানো এক হামলায় বহু মানুষ আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সপ্তাহব্যাপী অভিযানের মাধ্যমে হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল দখল করে বাব আল-মানদেব প্রণালিতে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় সৌদি তেল রপ্তানির একমাত্র প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে এই জলপথ।