মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

পাট থেকে সুতার প্রধান কাচাঁমাল ভিসকস তৈরী করবে সরকার

BenjaminBlumenth ৬৯ বার পঠিত
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,
দেশি পাট থেকে সুতার প্রধান কাচাঁমাল ভিসকস তৈরী করবে সরকার। এজন্য সরকারি পাটকলগুলোর মানোন্নয়ন করা হবে। এতে প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনে আর্থিক বিনিয়োগও করবে চীন।
এ বিষয়ে গত রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) সাথে চীনের চায়না টেক্সটাইল ইন্ড্রাসট্রিয়াল করপোরেশন ফর ফরেন ইকনোমিক এন্ড টেকনিকাল কো-অপারেশনের (সিটিইএক্সআইসি) সাথে একটি মিনিউটস অব ডিসকাশন ‘এমওডি’ স্বাক্ষর হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। এমওডি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, চীনের ভাইস মিনিস্টার ও চায়না ন্যাশনাল টেক্সটাইল এন্ড এপারেল কাউন্সিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট ওয়াং টিনকাই, চায়না ন্যাশনাল টেক্সটাইল এন্ড এপারেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট সান রুইজিট, ঢাকায় চায়না এম্বাসির ইকনোমিক ও কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর লি জুনানজু, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভলপমেন্ট অথরিটির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান কাজী মো. আমিনুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে চীন বাংলাদেশের একটি বন্ধুপ্রতীম দেশ। দুই দেশের নিয়মিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরো জোরদার হচ্ছে।
চীনের ভাইস মিনিস্টার ওয়াং টিনকাই বলেন, চীন সারা বিশ্বের চাহিদার ১৭ ভাগ সুতা উত্পাদন করে থাকে। কিন্তু দিন দিন চীনের উত্পাদন কমছে। কেননা চীনে প্রাকৃতিক উত্স থেকে কাঁচামাল কমে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রচুর কাঁচামাল রয়েছে কিন্তু প্রযুক্তিগত স্বল্পতা রয়েছে। আমরা আমাদের কারিগরি দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে ভিসকস উত্পাদন করতে চাই।
উল্লেখ্য, ভিসকস দেখতে সুতার মতো কিন্তু তার থেকেও সুক্ষ্ম। ভিসকস ব্যবহার হয় তুলার বিকল্প হিসাবে সুতা তৈরির কাজে। তুলার উত্পাদন কমে ্আসায় গত বছর বাংলাদেশ প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার ৩৩,৭৩৭ টন ভিসকস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেমন চীন ও ভারত থেকে আমদানি করেছে। যদি বাংলাদেশে পাট থেকে ভিসকস উত্পাদিত হয় তবে বিদেশ থেকে তা আর আমদানি করতে হবে না। এছাড়া পাট থেকে ভিসকস উত্পাদিত হলে এবং এর দ্বারা উত্পাদিত সুতার মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত কাপড়ের সাহায্যে গার্মেন্টস সামগ্রী তৈরী করা হলে শতভাগ মূল্য সংযোজন করা সম্ভব।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ /১৪ -১১-২০১৬ ইং / মো: হাছিব