৫ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিলেই ই-টিআইএন বাধ্যতামূলক
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,
৫ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে ই-টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে তবে ক্ষুদ্র ঋণের ক্ষেত্রে নয়। মঙ্গলবার এনবিআর সম্মেলন কক্ষে রাজস্ব সুরক্ষা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে ক্যাব, আইপিএবি, বেসিস, বাংলাদেশ ব্যাংক, যৌথ মূলধনী কোম্পানিসহ স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অংশীদারিত্বমূলক সংলাপে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অর্থনেতিকভাবে সক্ষম সবাইকে ই-টিআইএন নিতে হবে।ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে ই-টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যারা ক্ষুদ্র ঋণ নেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাদের ক্ষেত্রে ই-টিআইএন নেয়ার বিধান শিথিলের অনুরোধ জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোহাম্মদ আহম্মদ আলী। এ পরিপ্রেক্ষিতে নজিবুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ই-টিআইএন নিবন্ধন ইতোমধ্যে ২৬ লাখ ২৬ হাজার পেরিয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম সবাইকে ই-টিআইএন (ইলেকট্রনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) নিতে হবে।
উন্নয়ন সহযোগীদের কথা উল্লেখ করে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীরা রাজস্বের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার কথা থাকলেও তারা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। শুল্ক গোয়েন্দা ইতোমধ্যে এর রহস্য উদঘাটন করছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
রাজস্ব ফাঁকি রোধ নিচ্ছিদ্র করতে তিনি বলেন, যৌথ মূলধনী অনেক কোম্পানি রয়েছে কিন্তু তাদের অল্প সংখ্যক রাজস্ব দেয় এটা উদ্বেগের বিষয়। কোম্পানির মধ্যে যারা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তা রোধ নিচ্ছিদ্র করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাজ করছে।
এনবিআর ভোক্তাবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে একটি রাজস্ববান্ধব সংস্কৃতি চালু করার প্রয়াস চালাচ্ছি যাতে, রাজস্ব সুরক্ষা হয়। জনবান্ধব রাজস্ব বোর্ড গঠন এনবিআরের একার পক্ষে সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, ক্যাব, বেসিস, যৌথ মূলধনী কোম্পানি সবার প্রচেষ্টায় ভোক্তাবান্ধব এনবিআর গঠনে পার্টনারশিপের মাধ্যমে সবার সহায়তা কামনা করেন তিনি।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/০৩ -০১-২০১৭ইং / মো: হাছিব