জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন: ৫শ নেতাকর্মী আ.লীগে যোগদান

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জন্মদিন পালন করায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫ শতাধিক নেতাকর্মী ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এ সময় তারা এ জন্মদিন পালনকে বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন।
স্থানীয় সোনার বাংলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের হাতে ফুল দিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- কেদারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপির নেতা আতাউর রহমান বিশ্বাস, লাভলু মেম্বার, বিএনপি নেতা বাচ্চু মিয়া ও আল আমিন।
যোগদানের পর কয়েক নেতা সভায় তাদের অভিব্যক্তি তুলে ধরেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মহল থেকে অনেক অনুরোধ ও আদালতে মামলা হওয়ার পরেও ১৫ আগস্টের শোকাবহ দিনে এ বছরও কেক কেটে নিজের বিতর্কিত জন্মদিন পালন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থাপতিকে স্বপরিবারে হত্যার দিনে উৎসব করে বিএনপির এই কথিত জন্মদিন পালনের ঘটনা অসুস্থ মানসিকতা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।’
বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার বা অসম্মান করলে সেই দলের স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই দাবি করে তারা বলেন, ‘সত্যিকারের জন্মদিন হলেও ১৫ আগস্ট তা বর্জন করা বিএনপির নৈতিক দায়িত্ব ছিল।’ তা না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন বলেও দাবি করেন।
কেদারপুর ইউনিয়ন আয়োজিত ওই সভায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালাম হাওলাদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী ইমদাদুল হক দুলাল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিফাত জাহান তাপসী, বিআরডিবি চেয়ারম্যান খালেদা ওহাব, ছাত্রলীগ সভাপতি মৃধা, মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান মিলন, যুবলীগ সভাপতি মোস্তফা কামাল চিশতি, সম্পাদক মাসুদ করিম লাভলু, ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ শাহজাহান মানিক, নজরুল ইসলাম, কামাল হোসেন, কেদারপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি বাদল বিশ্বাস এবং সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মাস্টার প্রমুখ।