মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

মার্কিন জরিপে সাংঘর্ষিক, এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই : বিএনপি

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৩ বার পঠিত

BNP-Flag
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়েছে’ বলে সম্প্রতি মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের জরিপকে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেছে বিএনপি। এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দলের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে। আজ শনিবার নয়পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন এ দাবি করেন।

ড. রিপন বলেন, জরিপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে বলা হয়েছে। আবার সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়েছে বলেও বলা হয়েছে। তাই আমরা বলতে চাই, যদি মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়, তাহলে যে সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করেছে তার জনপ্রিয়তা বাড়ে কিভাবে? একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন বলেও জরিপে উঠে এসেছে। তার মানে আগের নির্বাচন সঠিক হয়নি। সুতরাং তাদের জরিপ সাংঘর্ষিক।

মার্কিন গবেষণা জরিপ বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, যে সরকারের সময়ে দেশে আইনের শাসন নেই, প্রতিদিনিই খুন, গুম, নারী নির্যাতন, শিক্ষক লাঞ্ছনার মতো ঘটনা ঘটছে। সেই পরিস্থিতিতে সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ে কিভাবে তা বোধগম্য নয়।

নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারকে পরীক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মুখপাত্র বলেন, সরকারের জনপ্রিয়তা প্রমাণের মানদণ্ড হচ্ছে অবাধ নির্বাচন। আশা করি তারা ছিনিয়ে নেওয়া ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে। এর মাধ্যমে প্রমাণ করবে, তাদের জনপ্রিয়তা আছে কিনা। জনপ্রিয়তা বাড়লে অবাধ নির্বাচন দিতে তাদের ভয় কিসের। আমরা জনগণের চাওয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারকে জনপ্রিয়তার পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক আফজাল এইচ খান, সহআইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, গণশিক্ষা সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রবিষয়ক মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইআরআই) সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে বলেছে, নির্বাচনের বিষয়ে দেশে রাজনৈতিক বিভাজন অব্যাহত থাকলেও বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সমর্থন বেড়েছে। দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে লোকজনের মনোভাব ইতিবাচক, অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়েও তারা আশাবাদী। তবে তাদের কাছে দুর্নীতি এখনো সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।