আওয়ামী লীগ নেতা, মন্ত্রী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা: জামায়াত

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলা এবং গাবতলীতে পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম মোল্লা খুনের সঙ্গে জামায়াত শিবিরকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগের নেতা, বিভিন্ন মন্ত্রী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং কয়েকটি সংবাদ পত্রের সিন্ডিকেট রিপোর্ট একই সূত্রে গাঁথা বলে দাবি করেছে জামায়াত।
দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ আজ এক বিবৃতিতে বলেন, এই দুই ঘটনার সঙ্গে জামায়াত শিবিরের কোন সম্পর্ক নেই। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে সরকারের চরম ব্যর্থতা ঢাকা দেয়ার হীন উদ্দেশ্যেই আওয়ামী লীগের নেতা, মন্ত্রীরা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা এবং তাদের মদদপুষ্ট কতিপয় সংবাদপত্র ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণায় মেতে উঠেছে। অতীতেও কোন অঘটন ঘটলেই জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে তাদের মিথ্যা প্রচারণা চালাতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু তাদের সকল প্রচারণাই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি বলেন, পত্রিকাগুলোর রিপোর্ট পড়লে যে কেউই বুঝতে পারবেন যে, এগুলো সিন্ডিকেটেড রিপোর্ট। জামায়াত ও শিবিরের ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন করার হীন উদ্দেশ্যেই এ ধরনের সিন্ডিকেটড রিপোর্ট প্রচার করা হচ্ছে। হোসনী দালানের সামনে শিয়া মুসলমানদের সমাবেশে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলা ও গাবতলীতে এএসআই ইব্রাহিম মোল্লা দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হওয়ার পর আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছি। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা ও সরকারের মন্ত্রীরা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তারা ওই সব ঘটনার তদন্তের আগেই জামায়াত শিবিরকে দায়ী করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোন সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. ইউনুস আলীর বাড়ীতে নাশকতার পরিকল্পনা হওয়ার খবর সর্বৈব মিথ্যা। তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হীন উদ্দেশ্যেই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এভাবে মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।