মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

বিএনপি জনপ্রিয় নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৩ বার পঠিত

bnp
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির জনপ্রিয় নেতাদের অযোগ্য করতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও কারাদণ্ড দেওয়ার ‘ষড়যন্ত্র’ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সম্প্রতি একটি মামলায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকাকে কারাদ- দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরো অনেক নেতাকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক মামলায়’ কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘মানুষের মুখে মুখে ফিরছে সবার অংশগ্রহণে স্বাভাবিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিততে পারবে না। আজ হোক কাল হোক, নির্বাচন তো দিতে হবে। সেখানে যাতে সাদেক হোসেন খোকার মতো জনপ্রিয় নেতারা অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেজন্য তাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার ব্যবস্থা হতে পারে। খোকাকে কারাদ- দেওয়ার মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্রের লক্ষণ দেখছি।’

বিএনপির নেতাদের অযোগ্য করে নির্বাচন করার পরিকল্পনা জনগণ কখনো মেনে নিবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ বন্ধের দাবিতে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তার নির্বাচনী এলাকা ও মহানগর বিএনপির সুত্রাপুর, কোতয়ালী, বংশাল, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া থানা শাখা।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কেউ বোমাবাজি করলে এই সরকার তাদেরকে ধরার আগেই বলে দিতে পারে কারা সেই বোমাবাজদের সাহায্য ও উৎসাহিত করছে। এতো খবর রাখে সরকার। সেই সরকার কি এই খবর রাখে না, সাদেক হোসেন খোকা মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে নিয়ইয়র্কে চিকিৎসাধীন আছেন। এই চিকিৎসা বন্ধ করলে জীবন সংশয় দেখা দেবে। এটা জানার পরও বিচারের কিছুদিন দেরি করলে কী হতো?’

তিনি বলেন, ‘দেশে অসংখ্য মামলা বিচারের অপক্ষোয় বছরের পর বছর পড়ে আছে। কিন্তু একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রতিনিধির নামে মামলায় দ্রুত বিচার করে তাকে শাস্তি দিতে হবে? এটাকে আমরা ষড়যন্ত্র বলি। এর উদ্দেশ্য কারাদ- দিয়ে তাকে নির্বাচনে অযোগ্য করা।’

‘গণতন্ত্রের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করা হলেও তা আজ নির্বাসিত’ মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার বলছে, আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্র। পাকিস্তান আমলেও তো উন্নয়ন কম হয়নি। তবে সে সময় আন্দোলন করলাম কেন? মূলত গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একই সঙ্গে দরকার। একটি আরেকটির হাত ধরে চলবে। দুটোরই দরকার আছে।’

দেশে সভা-সমাবেশের মতো গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। গণতন্ত্র উন্নয়ন এবং দায়বদ্ধ সংসদ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মকবুল ইসলাম খান টিপুর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপিনেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিবুর রহমান হাবিব, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম মাহিন প্রমুখ।