মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার হুমকি

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৬৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডেস্কঃ চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি বিকালে স্কুল থেকে ফেরার পথে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে এমদাদুল নামে এক লম্পট। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করার হুমকিও দেয়া হয়।

ভয়ে এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলেনি ওই ছাত্রী। এর মধ্যে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরিবারের লোকজনের কাছে তা ধরা পড়ে। এতেই জানাজানি হয় বিষয়টি।

এর পরই বুধবার ধর্ষক এমদাদুল (২০) ও তার সহযোগী রুবেলকে (২৮) আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের হাজী রহমানের ছেলে এমদাদুল স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিষয়টি ওই ছাত্রীর বাবা এমদাদুলের অভিভাবকদের জানিয়ে বিচার দাবি করে। এতে এমদাদুল আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

এর জের ধরে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি বিকালে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এমদাদুলের বাড়ির পিছনের রাস্তা থেকে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক জঙ্গলে নিয়ে যায় এমদাদুল ও তার সহযোগী রুবেল। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়।

এদিকে সম্প্রতি ওই ছাত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে স্থানীয় লোকজন নানা রকম কথা বলতে শুরু করে। এ অবস্থায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। এতেই পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা।

পরে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়ে ছাত্রীটির কাছে পরিবারের লোকজন জানতে চাইলে সে ধর্ষণের ঘটনাটি বিস্তারিত জানায়।

কেন্দুয়া থানার ওসি অভিরঞ্জন দেব মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ধর্ষক এমদাদুল ও তার সহযোগী রুবেলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম /  ৩ – ০৮-২০১৬ ইং/মো:হাছিব