ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বাড্ডায় চার খুন
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট : ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বাড্ডার চাঞ্চল্যকর চার খুন সংঘটিত হয়। হত্যাকাণ্ডের পুরো পরিকল্পনা, অস্ত্র আনা এবং গুলি করা- সব করেছেন হারুনুর রশিদ জুয়েল। তিনিই মামলার প্রধান আসামি।
রোববার মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে বাড্ডা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী মোজহিদুল ইসলাম, সাফায়েত উল্লাহ, রাহাত হোসেন, রানা ও রাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো জানান, বাড্ডায় স্টার গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এলাকার দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ ছিল। এক পক্ষের নেতা বাউল সুমন মারা যাওয়ার পর অন্য পক্ষ গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে গেলে বিরোধ আরো বাড়ে এবং চার খুনের ঘটনা ঘটে। জুয়েল তার সহযোগীদের নিয়ে এক পক্ষের হয়ে মাহাবুবুর রহমান গামাসহ চারজনকে হত্যা করে।
মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, জুয়েল ফোর মার্ডারের পরিকল্পনা, কারণ, হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের নামসহ অন্যান্য তথ্য দিয়েছে। ২০১৫ শুরুর দিকে সুমন মারা যাওয়ার পর এলাকার ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন গামা। এরপর থেকে জুয়েলের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। গামাকে হত্যার পরিকল্পনা করে জুয়েলসহ অন্যরা। পরিকল্পনামতো তারা অস্ত্রসজ্জিত হয়ে হামলা করে। ওই এলাকায় প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকার ঝুট ব্যবসা হয় বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৩ আগস্ট রাত ৯টার দিকে বাড্ডা থানার আদর্শনগরে জুয়েল ও তার সহযোগীদের গুলিতে মাহবুবুর রহমান গামা, সামসু মোল্লা, মানিক ও ছালাম মারা যান।