মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

উঠতি মডেল মিথিলার ‘আত্মহত্যা’র ঘটনায় স্বামীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৭২ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ রিপোর্ট:

জ্যাকুলিন মিথিলা নামে এক উঠতি মডেলের ‘আত্মহত্যা’র ঘটনায় নগরীর বন্দর থানায় মামলা করেছে তার বাবা স্বপন শীল। মামলায় মিথিলার নাম জয়া শীল হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মামলাটি করা হয়। ওইদিন সকাল নয়টায় নগরীর বারিক বিল্ডিং এলাকায় বাবার বাসা থেকে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত জয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তার আত্মহত্যার বিষয়টি গণমাধ্যমে আসেনি।
মামলায় মিথিলার স্বামী উৎপল রায় ও তার পরিবারের সাত সদস্যকে আসামি করা হয়।
এ বিষয়ে জ্যাকুলিন মিথিলার বাবা স্বপন শীল বলেন, ১০-১২ দিন আগে আমার মেয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরের বারিক বিল্ডিংয় এলাকায় আমার বাসায় আসে। বাসায় এসে সে আমাকে ফটিকছড়ির ধুরম গ্রামের উৎপল রায় নামের এক তরুণের সঙ্গে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে তার বিয়ে হয়েছে বলে জানায়। সে আরও জানায়, উৎপলের পরিবার তার বিয়ের বিষয়টি মেনে নেয়নি এবং তার পরিবার ও আত্মীয়স্বজন তাকে নানাভাবে ফোন করে হুমকি-অপমান করতে থাকে। তারা আমার মেয়েকে আরও বলে, ‘কত টাকা লাগবে নিয়ে যাও, তবুও আমাদের উৎপলকে ছেড়ে দাও।’ পরে এ অপমান সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার সকালের দিকে আমার বাসায় সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করে সে।
তিনি আরও বলেন, সুইসাইড নোটে মিথিলা তার স্বামী ও স্বামীর আত্মীয়স্বজনদের নিয়মিত অপমানের কথা লিখে গেছে। এবং এ কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে উল্লেখ করে।
‘এ ঘটনায় একই দিন (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বন্দর থানায় তার স্বামী উৎপল রায় ও তার মা মিনাক্ষী মহাজনসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’ বললেন বাবা।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএম মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘জয়া শীল নামে এক তরুণী ৩ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেছিলেন। এ ঘটনায় তার বাবা স্বপন শীল বাদি হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। মামলা তদন্ত চলছে।’