মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

সাহেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় দিনের পর দিন অনুপস্থিত

Muktijoddhar Kantho ৬০ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

মবিনুর মিয়া, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :

তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়নের সাহেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দে বিদ্যালয়ে দিনের পর দিন অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানিয়েছে,বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারনে ইতিপুর্বেও এই প্রধান শিক্ষককে কয়েকবার বেতন আটকানো ও পানিশমেন্ট দেওয়া হয়েছে। “মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ” এর প্রতিবেদক প্রধান শিক্ষকের বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিমল সরকার জানান, আবহাওয়া খারাপ থাকার কারনে প্রধান শিক্ষক এ মাসে ৮/১০ দিন বিদ্যালযে উপস্থিত হতে পারে নি। কিন্তু বিদ্যালয়ের দায়িত্বে থাকা এক সহকারি শিক্ষক জানান,স্যার ১৬ দিন পর মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন এবং ১ দিন এসেই তিনি ১৬ দিনের উপস্থিতি স্বাক্ষর করেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, সাহেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ টি শিক্ষকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন প্রধান শিক্ষকসহ ৩ জন। ফলে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পাঠদান এমনিতেই অনেকটাই ব্যহত হচ্ছে। তন্মেধ্যে প্রধান শিক্ষকের এমন অনুপস্থিতর কারনে শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সাহেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি কমিরুল ইসলাম “মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ”কে জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দে দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। ফলে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় বিঘ্নতা ঘটছে। আমি দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষকের অনপুস্থিতি বিষয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিবাবকদের নিয়ে তাহিরপুর উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দে এর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি কোনো সদোত্তর দিতে পারেননি।

তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান খাঁন “মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ”কে বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন বিষয়টি আমি শুনেছি খোঁজ নিয়ে দেখব যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে বিধি অনুযায়ী আমি তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করব।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১১-এপ্রিল-২০১৭ইং/নোমান