পপি-রিকলের কার্যক্রম পরিদর্শনে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
শাহারিয়ার রহমান পাভেল, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনধি ।। গত ৮ই ডিসেম্বও শুক্রবার,২০১৭ ইং তারিখে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো: আক্তার জামীল ও এনডিসি আবু সাঈদ পপি-রিকলের এই কাজ দেখতে দৌলতপুর গ্রাম ভিজিট করেন যেখানে প্রায় ১৭টি ফ্রেমের সাহায্যে ২৯ জন নারী জড়ি-চুমকি কাজ করছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এই কাজে তাঁর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং এই কাজের প্রসারে তাঁর ও জেলা প্রশাসনের সহায়তার আশ্বাস দেন। পপি-রিকল সমন্বয়কারী মো মোশারফ হোসেন খাঁন তাঁদের জানান,রিকল প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নতুন ব্যবসায় শুরুর মূলধন সহায়তাসহ ফলজ গাছ বিতরণ,বসত ভিটায় সব্জি চাষ ও প্রান্তিক নারীদের হাঁস এবং গরু দিয়ে সহায়তা করি যা ২০২০ সালের ৭ম ৫ম বার্ষিকী পরিকল্পনার ারিদ্রতা নিরসনে এবং ২০৩০ সালের এসডিজির ১ ও ২ নম্বর লক্ষ্য অর্জনে ভূমিকা রাখবে। পপি-রিকলের এই কার্যক্রম পরির্শণকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এর সাথে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা কামাল,মানব জমিন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রতিনিধি মো: আশরাফুল আলম ও নিকলীর আমাদের সময় প্রতিনিধি শেখ উবাইদুল হক সম্রাট।
সরেজমিনে দেখা যায় কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের নারীরা জড়ি-চুমকি কাজের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করেছে। দৌলতপরের হোসনা বেগম জানান, জড়ি-চুমকি কাজের এই ব্যাপক প্রসারে পপি-রিকল প্রকল্প নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে। এলাকাতে আগে থেকেই জড়ি-চুমকির কাজ চালু াকলেও খুব অল্প সংখ্যক নারী এই পেশার সাে জড়িত ছিলো। দৌলতপুর এলাকার নারীদের মধ্যে এই কাজের আগ্রহ াকায় দাতা সংস্থা অক্সফ্যামের সাে আলোচনা করে পপি-রিকল ২০১৩ সালে ৬০ জন নারীকে জড়ি-চুমকি কাজের উপর সক্ষমতা বৃদ্দিকল্পে ৭ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদান করে। পরের বছরে আরো ৩০ নারীকে জড়ি-চুমকি কাজের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এখন প্রায় ৪৬০ জন নারী এই কাজের ফলে তাদের সংসারে বাড়তি উপার্জন করতে পারছে। শুরুর দিকে একজন নারী সাংসারিক কাজের পাশাপাশি মাসে তিনটা শাড়িতে জড়ি-চুমকির কাজ করে প্রায় ১৫০০-২০০০ আয় করত। বর্তমানে এই কাজের বাজার চাহিদা কমে যাওয়ায় একজন নারী ৮০০-১২০০ টাকা আয় করতে পারে।
সিবিও সভাপতি ফরিদা বেগম জানান, পপি- রিকলের এই কাজের ফলে নারীরা আয়-বৃদ্দিমূলক কাজের সাথে জড়িত থাকার ফলে এলাকায় পারিবারিক সহিংসতার পরিমান কমে এসেছে । এর আগে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মহোদয় দামপাড়া ইউনিয়নের কামালপুরে পপি-সৌহাদ্য-৩ এর কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন।

