মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমিকদের ৩৭ শতাংশই বাংলাদেশি এবং জুনের শেষ পর্যন্ত ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি কাজের অনুমতি পেয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দেশটির গণমাধ্যম দ্য স্টারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে বাংলাদেশের শ্রমিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেশটির মোট বিদেশি শ্রমিকের ৩৭ শতাংশই বাংলাদেশি। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে মালয়েশিয়ায় কাজের অনুমতি থাকা বাংলাদেশির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৩ হাজার ৩৩২।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টে হাসান করিম নামের একজন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সম্পর্কে এসব তথ্য দেয়। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনা-পরবর্তী সময়ে শ্রমবাজার চালুর পর ২০২২ সালে ৪৯ হাজার ৩৫৩ বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে প্রবেশ করেন।
২০২৩ সালে নতুন করে আরও ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪৮ বাংলাদেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যান। এ ছাড়া ২০২২ সালে ২০ হাজার ৩৩১ জন এবং ২০২৩ সালে ২৩ হাজার ৬৫ বাংলাদেশি শ্রমিককে তাদের নিয়োগকর্তারা নিজ দেশে ফেরত পাঠান বলে দেশটির মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় কাজের বৈধ অনুমতিপত্র থাকা বাংলাদেশির সংখ্যা ৮ লাখ ৩ হাজার ৩৩২, যা দেশটির মোট বিদেশি শ্রমিকের ৩৭ শতাংশ। ফলে মালয়েশিয়ায় অদক্ষ বিদেশি শ্রমিকের সর্বোচ্চ উৎস দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে জানানো হয়, ভিসার মেয়াদের পর দেশটিতে থাকা বা কাজের অনুমতিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ৭৯০ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।
২০২২ ও ২০২৩ সালে মালয়েশিয়ায় কত বাংলাদেশি শ্রমিক প্রবেশ করেছেন, বৈধ ও অবৈধ কর্মীর সংখ্যা কত এবং কতজনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে—মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তার সুনির্দিষ্ট হিসাব চান সংসদ সদস্য হাসান করিম।