muktijoddhar kantho logo l o a d i n g

মুক্তকলাম

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অধিকার নিয়ে আবারও বৈষম্যের অভিযোগ

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অধিকার নিয়ে আবারও বৈষম্যের অভিযোগ

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশাধিকার ও পেশাগত স্বীকৃতি নিয়ে আবারও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, উচ্চ আদালতের রায়, সরকারি গেজেট এবং অতীতে সরকারি পর্যায়ে নিয়োগের নজির থাকার পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমাধারী মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সনদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এতে নতুন করে হয়রানি ও বৈষম্যের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীদের মধ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্য চলে আসছিল। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের পর উচ্চ আদালতের রায়ে দুই ব্যবস্থার ডিপ্লোমাধারীদের সরকারি চাকরিতে প্রতিযোগিতার সমান সুযোগের বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০১৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আইনি লড়াই

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ২০০৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হেলথ টেকনোলজি কোর্স চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ফিল্ড ট্রেনিংয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন জটিলতা ও বাধার মুখে পড়েন।

এর ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে সরকারি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগের জন্য প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীদের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হন।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ২০১৬ সালের ২৪ মে হাইকোর্টের রায়ে সরকারি পর্যায়ে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি উঠে আসে। পরবর্তীতে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ২০১৭ সালে উচ্চ আদালতে তা খারিজ হয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে বলে তারা জানান।

এ বিষয়ে ২০১৭ সালের লিভ টু আপিল নং ১৪২৩/২০১৭-এর আদেশের নথিও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রকাশ করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আদালতের রায়ের পর সরকারি গেজেট

আদালতের রায় ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পদে নিয়োগের যোগ্যতা ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে সরকার গেজেট প্রকাশ করে। সংশ্লিষ্টদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৪ মার্চ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য পদে নিয়োগবিধি, নিয়োগ পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়।

ওই গেজেটে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন।

তাদের বক্তব্য, আদালতের মাধ্যমে সমঅধিকারের বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সরকারি বিধিমালায় নিয়োগের কাঠামো নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এসব সিদ্ধান্ত ও বিধিবিধান পাশ কাটিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমাধারী মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পুনরায় নিয়োগের সুযোগ থেকে বাদ দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তা দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের অর্জনকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে।

কোভিডকালীন নিয়োগেও ছিল কারিগরি টেকনোলজিস্টদের অংশগ্রহণ

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ২০২ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে সরাসরি রাজস্ব খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়, যাদের মধ্যে প্রায় ৮০ জন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করা ছিলেন।

এছাড়া ২০২০ সালের জুন মাসে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে ১৫০ জনের বেশি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমাধারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ পেয়েছেন বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের প্রশ্ন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমাধারীদের যোগ্যতা নিয়ে যদি প্রশ্ন থাকে, তাহলে জাতীয় দুর্যোগের সময় তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সরাসরি রাজস্ব খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল কীভাবে? একইভাবে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে এত সংখ্যক টেকনোলজিস্ট নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টিও তাদের যোগ্যতার বাস্তব স্বীকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির বলে তারা মনে করেন।

উচ্চশিক্ষায়ও এগিয়ে যাচ্ছেন কারিগরি ডিপ্লোমাধারীরা

সংশ্লিষ্টদের দাবি, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করার পর অনেক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ও এমএসসি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন। অনেকে বর্তমানে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত রয়েছেন।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা কেন্দ্র ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন বলেও দাবি তাদের।

‘ওয়ান আমব্রেলা কনসেপ্ট’ বাস্তবায়নের দাবি

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালত-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ও প্রকাশিত তথ্যে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীদের সরকারি চাকরিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি সংশোধন করে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে ‘ওয়ান আমব্রেলা কনসেপ্ট’ বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে বলে তারা জানান।

তাদের মতে, একই পেশাগত কাজে নিয়োজিত হওয়ার যোগ্যতা অর্জনকারী দুই শিক্ষা ব্যবস্থার ডিপ্লোমাধারীদের জন্য অভিন্ন ও সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকলে দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান হতে পারে।

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে হয়রানির অভিযোগ

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাদের সনদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার ঘটনা।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিভিন্ন সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সনদ, প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও তাদের ‘ভুয়া’ প্রমাণের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তাদের বক্তব্য, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ সরকারি কর্তৃপক্ষ ও প্রচলিত আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত। মাঠপর্যায়ে কোনো কর্মকর্তা নিজস্ব ব্যাখ্যার ভিত্তিতে কাউকে হয়রানি করলে তা নতুন করে প্রশাসনিক জটিলতা ও বৈষম্য সৃষ্টি করতে পারে।

বেসরকারি খাতেও বৈষম্যের অভিযোগ

শুধু সরকারি পর্যায়েই নয়, বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমাধারী মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীদের অযৌক্তিকভাবে নিয়োগের সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া হলে তাদের পেশাগত অধিকার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তারা আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে বড় ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি না থাকায় হাজার হাজার ডিপ্লোমাধারী ও তাদের পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

বৈষম্য নয়, সমঅধিকার চান টেকনোলজিস্টরা

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের বক্তব্য, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড দেশের স্বীকৃত শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ। এই বোর্ডের অধীনে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের পেশাগত অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনি লড়াই করে আসছেন।

তাদের প্রশ্ন, রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত দুটি শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীরা যদি একই ধরনের পেশাগত দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা অর্জন করেন, তাহলে তাদের মধ্যে বৈষম্য থাকবে কেন?

তাদের মতে, আদালতের রায়, সরকারি গেজেট, পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্ত এবং অতীতে সরকারি নিয়োগের বাস্তব নজির বিবেচনায় নিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমাধারী মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

‘বৈষম্য চলতে থাকলে স্বাস্থ্যসেবায় জনবল সংকট তৈরি হতে পারে’

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রোগ নির্ণয়, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, রেডিওলজি, ফার্মেসি ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ টেকনোলজিস্টের প্রয়োজন রয়েছে।

তাদের মতে, প্রয়োজনীয় ও প্রশিক্ষিত জনবলকে বৈষম্যের কারণে কর্মক্ষেত্রের বাইরে রাখা হলে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় দক্ষ জনবলের সংকট তৈরি হতে পারে। এতে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—

১. উচ্চ আদালতের রায় ও সরকারি বিধি-বিধানের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। ২. কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করা। ৩. সনদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। ৪. সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অযৌক্তিক বৈষম্য বন্ধ করা। ৫. কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের ডিপ্লোমাধারীদের ক্ষেত্রে আইন ও আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমঅধিকার ও সমসুযোগ নিশ্চিত করা। ৬. আদালতের রায় ও সরকারি বিধি-বিধান উপেক্ষা করে যারা হয়রানি করছে, তাদের কর্মকাণ্ড তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো বিশেষ সুবিধা চান না; তারা চান আইন অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার, বৈষম্যহীন কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং আদালতের রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন।

“ষড়যন্ত্র নয়, বৈষম্য নয়—আদালতের রায় ও সরকারি বিধান অনুযায়ী কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আদালতের রায়, সরকারি গেজেট এবং অতীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া নিয়োগের নজির থাকার পরও কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কেন বারবার নিজেদের বৈধতা প্রমাণ করতে হবে—এটাই এখন সংশ্লিষ্টদের প্রধান প্রশ্ন।”

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে আইনসম্মত অধিকার ও সমসুযোগ নিশ্চিত করবে।

মো. গোলাম রসুল স্বপন

Tags: