মূল সংবাদে যান
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেয়ার করুন

পাকুন্দিয়ায় ভাবীকে কুপিয়ে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির কারাগারে মৃত্যু

প্রতিনিধি ৩৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ
পাকুন্দিয়ায় ভাবীকে কুপিয়ে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির কারাগারে মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ভাবীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজহারুল ইসলাম মিলন কারাগারে মারা গেছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটে অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কয়েকজন কারারক্ষী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের জন্য আজহারুল ইসলামের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

মৃত আজহারুল ইসলাম পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম সায়েম উদ্দিন।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৫ জুন সকালে পারিবারিক কলহের জের ধরে বড়ভাই বাবুলের স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন আজহারুল। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাসলিমাকে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর ওই দিন দুপুরের দিকে আজহারুল নিজেই পাকুন্দিয়া থানায় গিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন। পরদিন নিহত তাসলিমার ভাই শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে আজহারুলকে একমাত্র আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। নিহত তাসলিমা আক্তার পাকুন্দিয়া সদরের ছয়ছির গ্রামের ফজর আলী ও সৈয়দ বানুর মেয়ে।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ জিয়াউল রাব্বী।

দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১০ জুন কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।