স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা প্রশ্নে যত দ্রুত সম্ভব আগমী বছর গণভোট আয়োজন করা হতে পারে। এমন পরিকল্পনার কথা বলেছেন নিকোলা স্ট্রুজন।
প্রথম বার স্বাধীনতা প্রশ্নে আয়োজিত গণভোটে স্কটিশরাই এর বিপক্ষে ভোট দেন। ফলে যুক্তরাজ্যের অঙ্গ রাজ্য হয়েই আছে স্কটল্যান্ড। কিন্তু এবার গণভোট হলে তার ফল স্বাধীনতার পক্ষে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যুক্তরাজ্যের থাকা না-থাকা নিয়ে গণভোটের পর দেশটিতে জাতীয়বাদী চেতনার প্রবল উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্কটিশরা স্বাধীন দেশের স্বপ্ন পূরণে হয়তো আবারো গণভোটের জোর দাবি জানাবে।
যুক্তরাজ্য চারটি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত। ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ড। সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত রাজ্য হলেও স্কটল্যান্ডের একাংশের জনগণ স্বাধীনতা চেয়ে আসছে অনেক আগে থেকে।
ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্ট্রুজন বিবিসিকে বলেছেন, স্কটল্যান্ডের গণভোটের দাবি উঠবে তখনই যখনই দেখা যাবে স্কটল্যান্ডের অবস্থান অনিরাপদ রেখে ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে স্কটল্যান্ডের থাকার সুযোগ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে আগেই বলেছেন, স্কলটল্যান্ড সরকার যে প্রস্তাব দেবে, তা আমলে নেবেন তিনি। তবে শুক্রবার স্ট্রজনের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী মে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে অনাগ্রহ দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ২০১৪ সালের গণভোটে স্কটল্যান্ডের জনগণ এ বিষয়ে পরিষ্কার বার্তা দিয়ে দিয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/ ১৭ – ০৭-২০১৬ ইং/মো:হাছিব