শনিবার ভারতের সরকারি ওয়েবসাইটে নথিগুলোর ডিজিটাল কপি ছাড়া হয় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। দেশটির রাষ্ট্রীয় মহাফেজখানায় রক্ষিত নথিগুলো এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল।
এরআগে গেল বছরের সেপ্টেম্বরে নেতাজি নিখোঁজ হওয়ার সত্তর বছর পূর্তিতে তার সংক্রান্ত ৬৪টি গোপন নথি প্রকাশ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।
৭০ বছর আগে সুভাস বসু নিখোঁজ হয়েছিলেন। তারপর থেকে তার অন্তর্ধানের বিষয়টি রহস্য হয়েই আছে।
আজাদ হিন্দ ফৌজের কুচকাওয়াজে সুভাষ বসু।
গেল অক্টোবরে বসু পরিবারের সঙ্গে এক সাক্ষাতে নেতাজি সংক্রান্ত গোপন নথিগুলো প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলেন মোদী।শনিবার সকাল ৯টা সাত মিনিটে এক ট্যুইটে মোদী বলেন, “আজ সব ভারতবাসীর জন্য একটি বিশেষ দিন। আজ থেকে নেতাজির নথি প্রকাশ হওয়া শুরু হল। এই উদ্দেশ্যে জাতীয় মহাফেজখানায় যাচ্ছি।”
দিল্লিতে ভারতের জাতীয় মহাফেজখানার ওই অনুষ্ঠানে নেতাজির পরিবারের ১২ জন সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।
এরপর থেকে প্রতি মাসে সরকারি ওয়েবসাইটে নেতাজি সংক্রান্ত ২৫টি গোপন নথি প্রকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির জাতীয় মহাফেজখানা।
দুটি তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইওয়ানের তাইপেতে এক বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি মারা যান।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু।
কিন্তু তৃতীয় আরেকটি তদন্ত কমিশন ও অনেকে যাদের মধ্যে নেতাজির বেশ কয়েকজন আত্মীয়ও রয়েছেন তারা বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করেন।চন্দ্র বসু নামে নেতাজির এক নাতি বলেন, “ওই বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্ব আমি বিশ্বাস করি না। আজ আমরা হয়তো সব উত্তর পাবো না, কিন্তু কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।”
তবে জার্মানিতে বসবাসকারী নেতাজির মেয়ে অনিতা বসু জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি বিশ্বাস করেন তার বাবা বিমান দুর্ঘটনাতেই মারা গেছেন।
দিল্লিতে ভারতের জাতীয় মহাফেজখানার অনুষ্ঠানে অনিতা উপস্থিত থাকতে পারেননি।
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/23-01-2016/মইনুল হোসেন