মুসলমানদের ধর্মীয় পোশাক ও অনুষ্ঠান নিষিদ্ধের দাবি মিয়ানমারে

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ মুসলিম বিরোধী আইন বাস্তবায়নে বরাবরই আগ্রহ দেখায় মিয়ানমার সরকার। যার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলমানদের জন্য ইসলাম ধর্মবিরোধী নীতি গ্রহণ করে বরাবরই সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে মুসলিম বিশ্বে। এবার সেই মুসলিম বিরোধী নীতির সরাসরি সমর্থন জানালো দেশটির উগ্র বৌদ্ধ ধর্ম গুরু অশিন ভিরাতু।
মুসলিম বিরোধী নীতির প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি দেশটির রাজনৈতিক সংগঠন ডেমোক্রেসি ফর ন্যাশনাল মুভমেন্ট পার্টির বিরোধিতা করেছেন উগ্রবাদী এ বৌদ্ধ ধর্মের গুরু।
উগ্রপন্থী বৌদ্ধ ধর্মের গুরু হিসেবে অশিন ভিরাতুর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে মিয়ানমারে। দেশটিতে আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে উগ্রবাদী বৌদ্ধদের ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রতি সমর্থন জানানোর সময় দেশটির মুসলিম বিরোধী নীতির উপর সমর্থন জানান। সেই সাথে মিয়ানমারে অন সাং সুচির নেতৃত্বে ডেমোক্রেসি ফর ন্যাশনাল মুভমেন্ট পার্টির বিজয়ের স্বাদ নেয়ার কোন সম্ভাবনাই আর নেই বলে দাবী করেন তিনি।
সম্প্রতি বৌদ্ধ ধর্মের এ গুরু দেশটিতে মুসলমানদের ধর্মীয় পোষাক এবং তাদের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন নিষিদ্ধ করতে সরকার বরাবর দাবীও তুলেছে। তার এ দাবীর প্রতি সমর্থনও জানিয়েছে দেশটির উগ্রবাদী বৌদ্ধ নেতারা।
উল্লেখ্য, এর আগে বৌদ্ধ ধর্মের বিতর্কিত এ উগ্রবাদী গুরু মুসলমানদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার অপরাধে প্রায় দশ বছর হাজত বাস করেন। এ ছাড়াও ধারণা কর হয়, ২০১২ সালে দেশটিতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বিরা যে সহিংসতা চালায় তার পেছনে অশিন ভিরাতুসহ অন্যান্য উগ্র বৌদ্ধ ধর্মগুরুদের শক্ত ইন্ধন ছিল। যে দাঙ্গার ফলে হাজার হাজার নিরীহ মুসলমান নিহত হওয়ার পাশাপাশি শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে লাখ লাখ মুসলমান।